লেবু খাওয়ার উপকারিতা-লেবু পানি খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

মধু খাওয়ার 20 কি উপকারিতালেবু আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। তাই লেবুর শরবত খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা লেবু খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা  জানা খুব জরুরী। তাহলে চলুন আর সময় নষ্ট না করে লেবুর শরবত খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি।

লেবুর শরবতের উপকারিতা ও অপকারিতা- লেবু খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

শরীরকে সুস্থ স্বাভাবিক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে লেবু খাওয়ার উপকারিতা অনেক। সকালে খালি পেটে লেবু খাওয়ার কি কি উপকারিতা এবং দিনে কয়টি লেবু খাওয়া উচিত এ সকল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

লেবু খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন সময় লেবু খেয়ে থাকি যেমন ভাতের সাথে আমরা নিব খায় এবং বিভিন্ন তরকারি স্বাদ বৃদ্ধি করতে আমরা লেবু খেয়ে থাকি। নিয়মিত লেবু খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। লেবু খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে যেমন অনেক উপকার হয় ঠিক তেমনি অপকারও হয়।

আরও পড়ুনঃ কচি ডাবের পানি খাওয়ার উপকারিতা

লেবু খাওয়ার উপকারিতা:

  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক এসিড প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া প্রস্রাবের অমূলত্ব এবং প্রস্রাবের ইনফেকশন দূর করে।
  • লেবুতে উপস্থিত পলিফেনাল এন্ট্রিঅক্সিডেন্ট শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে।
  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রেট কিডনির ছোট পাথর ভেঙে প্রস্রাবের নালীর মাধ্যমেমাধ্যমে বের করে দেয়। যার ফলে কিডনি সুস্থ থাকে।
  • লেবুতে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার রয়েছে যার কারণে শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য লেবু ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি ত্বকের যত্নে খুব উপকারী। লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি ত্বকের ডার্ক সার্কেল বলিরেখা রোদে পড়া কাল চে ভাব দূর করে।
  • লেবুতে উপস্থিত পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্কার্ভি রোগ দূর করে।
  • শরীরকে হাইড্রেট রাখতে লেবু খুব উপকারী। শরীর হাইড্রেটেড থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক  এসিড উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল কমায়।
  • এলডিএল বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমানোর জন্য লেবুতে  উপস্থিত  সাইট্রেট খুব উপকারী যার কারণে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুকি কমে।
  • নিয়মিত লেবু খেলে রক্ত পরিশোধিত হয় এবং রক্তের টক্সিক পদার্থ প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে নিঃসৃত হয়। 
  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড  বদ হজম পেটব্যথা এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে অতি উত্তম।

অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার অপকারিতা,

  • অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার ফলে লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক এসিড দাঁতের এনামেলের ক্ষয় করে।
  • অধিক পরিমাণ লেবু খাবার ফলে ত্বকের বিভিন্ন উপকারী কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার কারণে ত্বকের সৌন্দর্য কমে যায়।
  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রেট ত্বকের নিচে অবস্থিত কোষ গুলোকে ধ্বংস করে যার কারণে মুখমণ্ডলে শুষ্ক ভাব আসে ।
  • অধিক পরিমাণ লেবু খাওয়ার ফলে পেট ব্যথা পেট ফোলা এরকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • লেবুতে উপস্থিত টাইরামিন উপাদানের জন্য মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • অধিক পরিমাণ লেবু খাওয়ার ফলে লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক এসিড পেপসিন এনজাইম কে ভেঙে দেয় যার কারণে প্রোটিন হজমে সমস্যা দেখা দেয়।
  • অধিক পরিমাণ লেবু খাওয়ার ফলে পাকস্থলী প্রাচীরের ক্ষতের সৃষ্টি হয় যা পরবর্তীতে আলসারে রূপ নেয়।
  • প্রয়োজনের অধিক পরিমাণ লেবু খাবার ফলে ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় ফুসকুড়ি বা ঘা তৈরি হয়।
  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক এসিড এবং সাইট্রেট রক্তের আয়রন পরিমাণ শোষিত  করে নেয় যার কারণে রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

  • প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরিমাণ লেবু খাবার ফলে ক্ষুধামন্দা হয়, ক্লান্তি বোধ চলে আসে এবং মাঝে মাঝে বমি পাই

লেবু খাবার ফলে আপনার যদি উপরোক্ত উপসর্গ গুলো দেখা যায় তাহলে লেবু খাওয়া কমিয়ে দেন এবং পাশাপাশি ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন নয়তো পড়ে বড় রকমের সমস্যা হতে পারে।

লেবুর শরবতের উপকারিতা ও অপকারিতা

লেবুর শরবত এর উপকারিতা,

আরও পড়ুনঃ টক দই খাওয়ার উপকারিতা

  • লেবুর শরবত খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় কারণ লেবুতে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার রয়েছে।
  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড রক্তের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ রাখে যার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি কম।
  • ত্বকের উজ্জ্বল সুস্থ এবং ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত লেবুর শরবত খাওয়া খুব উপকারী।
  • শরীরকে স্বাভাবিক সতেজ রাখতে শরীরে প্রচুর পরিমাণ পানির প্রয়োজন। লেবু আমাদের শরীরকে  হাইড্রটেড রাখে যার কারণে আমাদের শরীর স্বাভাবিক এবং সতেজ থাকে।
  • লেবুর শরবত খাওয়ার ফলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ চর্বি কমে যায়।
  • বিভিন্ন রকমের চর্ম রোগ এলার্জি জনিত সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে লেবুর শরবত খুব উপকারী।
  • রাতে খাবার খাওয়ার পরে লেবুর শরবত এবং সাথে লবণ খেলে খাবারের হজম ভালো হয়।
  • লেবুর শরবত কিডনিকে সুস্থ রাখে এবং কিডনির সকল টক্সিক পদার্থ বের করে দেয় যার দরুন কিডনিকে সুস্থ রাখতে লেবুর শরবত খুব উপকারী।
  • লেবুর শরবত খাওয়ার ফলে শরীরে ক্লান্তি ভাব দূর হয়।
  • শরীরের পানি শূন্যতা দূর করার জন্য লেবুর শরবত খুব উপকারী।
  • লেবুর শরবত খেলে পাকস্থলী প্রাচীরে অবস্থিত অ্যাসিড প্রশমিত হয়।
  • লেবুর শরবত এবং নুন খেলে এসিডের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

লেবুর শরবত খাওয়ার অপকারিতা,

আরও পড়ুনঃ ওজন কমাতে পাকা টমেটোর ব্যবহার

  • প্রয়োজনের অধিক পরিমাণ লেবুর শরবত খাওয়ার ফলে তলপেটে ব্যথা হয়।
  • প্রয়োজনের অধিক পরিমাণ যদি লেবুর শরবত খাওয়া হয় তবে কিডনিতে সাইট্রিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে যায় যার কারনে কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
  • অধিক পরিমাণ লেবুর শরবত খাওয়ার ফলে অনেকের শরীরে এলার্জি জনিত সমস্যা দেখা দেয়।
  • প্রয়োজনের অধিক পরিমাণ লেবুর শরবত খাওয়ার ফলে পাকস্থলী প্রাচীরে ক্ষত বা ঘা এর সৃষ্টি হয়।
  • লেবুর শরবত প্রয়োজনের বেশি খাওয়ার ফলে অনেকবার  পায়খানাতে যাওয়া লাগে যার দরুন পানি শূন্যতা দেখা দেয়।
  • লেবুর সাথে অধিক পরিমাণ লবণ খাওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
  • অধিক পরিমাণ লেবুর শরবত খাওয়ার ফলে শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় এনজাইম গুলো ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • প্রয়োজনের বেশি পরিমাণ লেবুর শরবত খাওয়ার ফলে রক্তে আয়রন শোষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যার দরুন পরবর্তীতে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়।

লেবুর রস কি কিডনির জন্য ক্ষতিকর?

আমরা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি দিয়ে দিনটা শুরু করে থাকি। কিন্তু চা বা কফি আমাদের শরীরে সেরকম কোন উপকার না করলেও অনেক অপকার করে। তাই আপনি যদি শরীর ক্ষতি না করতে চান তবে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে লেবুর রস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে লেবুর রস খেলে কিডনির ক্ষতি হয়। এই কথাটি বা ধারণাটি একদম ভুল। কারণ লেবুর রসের উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনির  জন্য খুব উপকারী। কিডনিতে অবস্থিত সকল ধরনের বিষাক্ত পদার্থ প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয় লেবুর রস। 

 কিডনিতে বিভিন্ন রকমের পাথর হয় যার কারনে কিডনি থেকে পানি শরীরের বাইরে বের হতে পারে না। এর ফলস্বরূপ কিডনি ফুলে যায় এবং শরীরে বিভিন্ন রকমের উপসর্গ দেখা দেয়। কিন্তু লেবুর রস খাবার ফলে কিডনির পাথর ভেঙে প্রস্রাবের নালির মাধ্যমে বেরিয়ে  যায়। তবে এক্ষেত্রে বলা  বাহুল্য যে কিডনির পাথরের সাইজ ছোট হলে তবেই সেটা ভেঙে বের হতে পারে।

সকালে গরম পানিতে লেবু খাওয়ার উপকারিতা

আমরা যদি প্রতিদিন সকালে গরম পানিতে লেবু খায় তবে আমাদের শরীরে যে সকল উপকার হবে সেগুলো হল,

  • সকালে গরম পানিতে লেবু খেলে শরীরের রক্তশূন্যতা দূর হয়।
  • কুসুম কুসুম গরম পানিতে লেবু রস মিশ্রিত করে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
  • শরীর অতিরিক্ত মেদ চর্বি কমাতে গরম পানির সাথে লেবু খাওয়ার খুব উপকারী।
  • শরীরের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমাতেও লেবুর খুব উপকারী।
  • সকালে গরম পানিতে লেবু খাওয়ার ফলে আমাদের ত্বকের PH এর মান নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • গরম পানির সাথে লেবু এবং লবণ খাওয়ার ফলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক এসিড রক্তের প্রবাহকে সচল রাখে যার কারনে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • গরম পানির সাথে লেবু খাওয়ার খাওয়ার জন্য চুলের গোড়া শক্ত হয়।
  • গরম পানির সাথে লেবু এবং মধু মিশ্রিত করে খাওয়ালে ত্বকের শুষ্ক  ভাব দূর হয়।
  • গরম পানির সাথে লেবু খাওয়ার ফলে লিভার সুস্থ থাকে।
  • গবেষণায় দেখা গেছে যে লেবু খাবার ফলে TB রোগ থেকেও পরিত্রান পাওয়া সম্ভব।

প্রতিদিন সকাল সকাল গরম পানির সাথে লেবু রস খাওয়ার ফলে উপরোক্ত উপকার গুলো আমাদের শরীরে হয়। তাই আমরা যদি আমাদের শরীরকে বিভিন্ন রকমের রোগ সমস্যা থেকে দূরে রাখতে চায় তাহলে প্রতিদিন অন্তত একবার গরম পানির সাথে লেবুর রস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি। আমাদের জীবনকে সুন্দর এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া খুব দরকার।

গরম পানিতে লেবু খাওয়ার অপকারিতা

গরম পানিতে লেবু খাওয়ার উপকারিতা,

  • গরম পানিতে লেবু  খেলে হাড়ের ক্ষতি হতে পারে।
  • লেবু সাইট্রেট জাতীয় ফল এবং লেবুতে উপস্থিত টাইরামাইন হরমোনের কারণে মাইগ্রেনের সমস্যা হয়।
  • অধিক পরিমাণ গরম পানিতে লেবু খাওয়ার উপায় দাঁতের এনামেলার ক্ষতি হয়।
  • গরম পানিতে দীর্ঘদিন যাবত লেবু খাওয়ার ফলে ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
  • দীর্ঘদিন যেমন গরম পানিতে লেবু খাওয়ানোর উদ্দেশ্য থাকলে পেট ব্যথা পেট খারাপ সমস্যা হতে পারে।
  • গরম পানিতে লেবু খাওয়ার ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • দীর্ঘদিন গরম পানিতে লেবু খেলে পাকস্থলীতে আলসারের ঘা হয়।
  • গরম পানিতে লেবু খেলে অনেক সময় মুখমণ্ডল ডিহাইড্রেশন হয়।

ভাতের সাথে লেবু খাওয়ার উপকারিতা

ভাতের সাথে লেবু খাওয়ার উপকারিতা তো অনেক যেমন ভাতের সাথে লেবু খেলে খাওয়ার হজম হয়। ভাতের সাথে যদি আমরা প্রতিদিন নেব খাই তবে এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভাতের সাথে আমার যে তরকারি খায় সে তরকারি যদি প্রোটিন থাকে তবে লেবুতে উপস্থিত পেপসিন প্রোটিন সংশ্লেষণ করে।

ভাতের সাথে লেবু খাওয়ার ফলে আমাদের প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন হজম হয়ে যায় জয়েন করুন আমাদের লিভার সুরক্ষিত থাকে। আবার লেবুতে উপস্থিত ফাইবারের কারণে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তাই ভাতের সাথে লেবু খাওয়ার উপকারিতা এতটাই বেসে যেগুলো বলে শেষ করা যাবে না।

সারাদিনে কয়টা লেবু খাওয়া উচিত

লেবু আমাদের শরীরের অনেক উপকার করে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে জল সর্দি কাশি এগুলো দূর করে। শরীরের অতিরিক্ত চর্বি মে দ কোলেস্টেরল কমে আন্দোলন লেবু আমাদের শরীরে খুব উপকার করে। লেবু আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা করে বলে যে অধিক পরিমাণ লেবু খেতে হবে তার কোন কথা নেই। তাই লেবু খাওয়ার যেমন উপকারীতা রয়েছে ঠিক তেমন অপকারিতা হয়েছে।

লেবু খাওয়ার ফলে আমাদের যেন কোন রকমের রোগ বা জটিলতা সৃষ্টি না হয় তার জন্য আমাদেরকে জানতে হবে যে এক দিনে সর্বোচ্চ  কয়টা লেবু খাওয়া উচিত। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে একদিনের সর্বোচ্চ দুই থেকে তিনটি লেবু যে কোন খাবারের সাথে বা গরম পানিতে শরবত করে খেতে পারেন। একটি লেবুর রসের ১৮.৬ mg ক্যালোরি রয়েছে।

লেবু খাওয়ার মাধ্যমে আমরা যদি চাই যে আমাদের শরীর বিভিন্ন রোগ ডায়াবেটিস হৃদরোগ রোগ এই সকল সমস্যা থেকে দূরে রাগ থাকবেন তবে আপনাকে প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিনটি লেবু খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিয়মিত লেবু খাবার ফলে আপনার শরীরে ভিটামিন সি এর সরবরাহ হবে এর ফলে আপনার ত্বক এবং চুল দুটোই উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠবে।

লেখক এর মন্তব্য

আজকে এই পোস্টটিতে আমি লেবু খাওয়ার উপকারিতা লেবু খাওয়ার অপকারিতা লেবুর শরবত খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপনারা যদি আমার এই পোস্টটি পড়ে উপকৃত হন তাহলে অবশ্যই  কমেন্ট করে জানাবেন এবং পরবর্তী পোস্ট পাবলিশ হওয়া পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্বাগতম বিডিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url