গলা ব্যাথার ঔষধের নাম-গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত

প্রিয় পাঠক আপনার কি ঠান্ডা লাগলে গলা ব্যথা হয় ? অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগা বা ভাইরাসের সংক্রমনের কারণেও গলা ব্যথা হতে পারে। গলা ব্যথার ওষুধের নাম এবং গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত যদি আপনি না জেনে থাকেন তাহলে পুরো আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন আশা করছি আপনি যেটা খুঁজছেন সেটা পেয়ে যাবেন।

গলা ব্যাথার ঔষধের নাম-গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত

আজকের এই আর্টিকেলটিতে আপনারা আরো জানতে পারবেন গলা ব্যথার কারণ, গলা ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়, গলা ব্যথা হলে কি করা উচিত এবং গলা ব্যথা কমাতে চা খাওয়া উপকারী না ক্ষতিকর তাই পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।.

গলা ব্যাথার কারণ

গলা ব্যাথার প্রধান কারণ হলো ভাইরাস। বেশিরভাগ গলা ব্যথা ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। গলা ব্যথা যাকে অনেকে গলগন্ড বলে থাকে। এই গলা ব্যথা রোগের অনেকগুলো কারণ রয়েছে যেমন, ভাইরাসের সংক্রমন, স্টেপটোক্কাল ইনফেকশন, ফ্যারেনজাইটিস, টনসিল, ডিহাইড্রেশন এর কারণেও গলা ব্যথা হয়ে থাকে।

এছাড়াও শীতকালীন ঠান্ডা লাগার কারণে গলা ব্যথা হয়ে থাকে অনেকেই এই ঠান্ডা লেগে গলা ব্যথা কে স্বাভাবিক গলা ব্যথা ভেবে বসে থাকে যার কারণে পরবর্তীতে টনসিলাইটিস হয় এবং এর জন্য অপারেশন করা লাগতেও পারে। গলা ব্যথা শুধু যে ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে সেরকম নয় ব্যাকটেরিয়ার কারণেও গলা ব্যথা হয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা কেন বাড়ে ?

অনেক সময় গলায় যদি ক্যান্সার বা টিউমার বাসা বেধে থাকে তখন গলা ব্যথা হয়। তাছাড়া গলা ব্যথার প্রধান শিকার হয় শিশুরা কারণ তারা নিজেদের যত্ন নিতে শেখে না বরং সারাদিন ধুলাবালিতে খেলাধুলা করে বেড়ায় এবং শীতকালীন ঠান্ডা লেগে গলা ব্যথা হয়। যদিও গলা ব্যথা ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে হয় তাই গলা ব্যথা না সারলে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

ঢোক গিলতে গলা ব্যথা কেন হয়

ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা হয় কারণ গলার ঝিল্লিতে ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস এর সংক্রমণ হয়। এছাড়াও অধিক মসলাদার এবং ঝাল খাবার খাওয়ার কারণে খেলতে গলায় ব্যথা। যে সকল খাবার খেলে শরীরে অ্যালার্জি দেখা দেয় সেই সকল খাবার খাওয়ার কারণে গলায় ব্যথা হয়। অনেক সময় খুব গরম খাবার খেলে গলা ব্যথা হয়।

ঢোক গিলতে গলা ব্যথা হয় মূলত ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে। অনেক সময় ফ্যারেনজাইটিস বা টনসিল এর প্রধানের কারণে ঢোক গিলতে ব্যথা হয়। আমাদের অনেক সময় জ্বর কাশি এবং গলাব্যথা জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস হয় আমরা এগুলোকে খুব তেমন গুরুত্ব দিনা কিন্তু পরবর্তীতে এগুলো থেকেই জটিল গলা ব্যথার সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও ডিপথেরিয়ার কারনেও গলা ব্যথা হয়। দীর্ঘক্ষণ পানি না খাওয়া যার ফলে গলা শুকিয়ে যায় তখন যদি খাবার খাওয়া হয় তখন গলায় ব্যথা হয় পাশাপাশি গলাতে কারো যদি ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স এর সমস্যা থাকে তবে তাদের গলাতে জ্বালার অনুভূতি হয় যা পরবর্তীতে টনসিল এর রূপ ধারণ করে। 

গলা ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়

শীতের সময়ে অথবা আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, মাথাব্যথা ,নাক দিয়ে পানি পড়া,খুসখুসে কাশি,ঢোক গিলতে কষ্ট ইত্যাদির সমস্যা প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে।আমাদের যখন এই রকমের সমস্যা হয় তখন আমরা খুব  বিভিন্ন রকমের অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে থাকি যেন তাড়াতাড়ি আমরা রোগ থেকে মুক্তি পাই।

আরও পড়ুনঃ হাত পা জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়

কিন্তু এই গলা ব্যথা জ্বর খুসখুসে কাশির জন্য প্রতিনিয়ত অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার কারণে শরীরের অনেক ক্ষতি হয় যার কারণে শরীর দুর্বল হয় বিভিন্ন ফাংশন কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমরা যদি এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া কিছু উপায় অবলম্বন করে তাহলে আমাদের শরীরের কোন ক্ষতি হবে না।

তাহলে চলুন জেনে নিই ঘরোয়া উপায় কিভাবে গলা ব্যথা কমানো যায়,

  • হলুদঃ গলা ব্যথা কমানোর জন্য হলুদ খুব উপকারী একটি উপাদান। এক গ্লাস গরম দুধে এক চা চামচ হলুদ গুড়া মিশিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিয়ে একটু ঠান্ডা করে কুসুম কুসুম গরম হলুদ দেওয়া দুধ খেলে গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  • আদাঃ গলা ব্যথা সারাতে আদার থেকে ভাল কোন উপকরণ আমার মনে হয় না আছে। আপনি যদি প্রতিদিন দিনে দুই থেকে তিনবার আদা চায়ের সাথে থেঁতো করে খান তাহলে আপনার গলার খুসখুসে কাশিও দূর হয় এবং কফ পরিষ্কার হয়।
  • তুলসি পাতাঃ গলা ব্যথা,সর্দি-কাশি সারাতে তুলসী পাতা খুব উপকারী। একটি পাত্রে এক গ্লাস পানি নিয়ে তার সাথে তুলসী পাতা, গোলমরিচ,লবণ,আদা দিয়ে ফুটিয়ে কিছুক্ষন ঠান্ডা করে নিন। যখন পানির ঠান্ডা হয়ে যাবে তখন ছাকনি দিয়ে ছেকে পান করুন।
  • পুদিনাপাতাঃ এক কাপ পানিতে ৬-৭ টি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে ছেকে নেন। আপনি চাইলে পুদিনা পাতার সাথে লবঙ্গ অথবা আদা যুক্ত করতে পারেন। 
  • লেবুঃ লেবু গলার ব্যথা সারাতে খুব উপকারী। লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দূর করে এবং গলার কফ পরিষ্কার রাখে।
  • আপেল সাইডার ভিনেগারঃ আপেল সাইডার ভিনেগার গলার ব্যথা দূর করতে খুব উপকারী এতে রয়েছে এন্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য যেটি গলার ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দূর করে। এছাড়াও আপেল সাইডার ভিনেগারের সাথে লবণ মিশ্রিত করে গার্গল করলে গলার ব্যথা থেকে স্বস্তি পাওয়া যায়।
  • লবণ পানিঃ লবণ পানি দিয়ে গলার ব্যথা দূর করা হলো ঘরোয়া ভাবে গলার ব্যথা দূর করার সবথেকে কার্যকরী একটি উপায়। গরম পানি দিয়ে গার্গল করার জন্য একটি ক্লাসে গরম পানি এবং তার সাথে লবণ মিশ্রিত করতে হবে।
  • মধুঃ গলার ব্যথা বা খুশখুসে কাশি সারাতে মধু খুব উপকারী এবং মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ উপাদান। এক গ্লাস গরম পানিতে অথবা ঠান্ডা পানিতে দুই থেকে তিন চামচ মধু মিশিয়ে খেলে গলার ব্যথা দূর হয়।
  • লবঙ্গঃ গলা ব্যথা হলে আমার চিন্তা করতে থাকি যে কি খাওয়া উচিত কিন্তু আমাদের ঘরে যে রয়েছে গলা ব্যথা কমানোর মহা ঔষধ সে বেশি আমরা কেউ অবগত নয়। লবঙ্গ গলা ব্যথা এবং কাশি থেকে রক্ষা করতে খুব ভালো।
  • দারুচিনিঃ গলার ব্যথা এবং খুসখুসে কাশি দূর করতে দারুচিনির জুড়ি আর কেউ নয়। কারণ দারুচিনিতে রয়েছে ঔষধি ভেষজ গুণ যেগুলো ভাইরাস এবং ব্যাকটেরার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং গলা ব্যাথা থেকে দ্রুত উপশম ঘটায়।
  • গরুর দুধঃ গলার ব্যথা দূর করতে গরুর দুধ অথবা ছাগলের দুধ খুব উপকারী। গরুর দুধে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ব্যাকটেরার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং গলা ব্যথা দূর করে।
  • অ্যালোভেরা জুসঃ গলার ব্যথা দূর করতে এলোভেরা জুস এর উপকারিতা অনেক বেশি। এলোভেরা জুসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেনট ফ্যারেনজাইটিস কে ধ্বংস করে এবং গলা ব্যথা দূর করে।

আপ্নারা গলা ব্যথা, মাথা ব্যথা, খুসখুসে কাশি, হলে ঝটপট এন্টিবায়োটিক খাওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত চিন্তা থেকে দূরে থাকার জন্য উপরে বর্ণিত টোটকা গুলো আপনিও নিজের উপর বা আপনার আত্মীয়-স্বজনের ওপর ব্যবহার করতে পারেন।

গলা ব্যাথার ঔষধের নাম

গলা ব্যাথার কয়েকটি ওষুধের নাম নিচে দেওয়া হলো,

  • ই ফিক্স ১০০ এম জি ট্যাবলেট ( E Fix 100 MG)
  • ফেক্সো ১২০ এম জি ( Fexo 120 MG)
  • ডেসলর ১০০ এম জি ( Deslor 100 MG)
  • নাপা এক্সটেন্ড ৬৬৫ এম জি ( Napa Extend 665 MG)
  • নিওসিলর ৫ এম জি ( NeoCilor 5 MG)
  • কারভা ৭৫ এম জি ( Carva 75 MG)
  • হিস্টাসিন ৪ এম জি ( Histacin 4 MG)
  • হিস্টা লেক ১০ এম জি (Histalec 10 MG )
  • ফিলা মেক্স ৫০০ এম জি ( Fila Mex 500MG )
  • মক্সাসিল ৫০০ এম জি ( Moxacil 500 MG)

ওপরে বর্ণিত ওষুধগুলো গলা ব্যথার ওষুধ। আপনার যদি তীব্র গলা ব্যথা হয় তাহলে উপরের ওষুধগুলো কোন ফার্মেসি থেকে নিয়ে এসে খেতে পারেন অথবা ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে ডাক্তারের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ সেবন করতে পারেন।

গলা ব্যথা হলে কি চা খাওয়া উচিত?

যেকোনো রকমের গলা ব্যথা খুসখুসে কাশি সর্দি জ্বর মাথাব্যথা টোটকা হিসেবে চা হল অতি উত্তম। মসলা চা খেলে গলা ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। বলা যায় গলা ব্যথা মহা ঔষধ হলো চা। চায়ের সাথে আপনি গরুর দুধ আদা লবঙ্গ যুক্ত করে খেতে পারেন তাহলে আপনার গলা ব্যথা দ্রুত সেরে যাবে।

গলা ব্যথা কমাতে চায়ের সাথে মধু পুদিনা পাতা তুলসী পাতা এবং দারুচিনি বেশ কার্যকর। আপনি যদি উপরে বর্ণিত সব উপকারী পাতাগুলো দিয়ে এবং লবঙ্গ দারুচিনি একসাথে মিশ্রিত করে মসলা চা বানিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার পান করেন তাহলে আপনার গলা ব্যথা মাথা ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম পাবেন।

আরও পড়ুনঃ প্রতিদিন কতটুকু কিসমিস খাওয়া উচিত

এখন আপনাদের প্রশ্নে আসি গলা ব্যথা হলে কি যা খাওয়া উচিত? আশা করছি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছেন, তো বন্ধুরা গলা ব্যথা সারাতে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া ছেড়ে দিয়ে ঘরের উপস্থিত উপকরণ অবলম্বন করুন এবং স্বাস্থ্যকরভাবে রোগ থেকে সুস্থ থাকুন।

গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত

গলা ব্যথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে যেমন আবহাওয়ার পরিবর্তন মানুষিক চাপ ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসের সংক্রমণ বায়ু দূষণ ধূমপান দীর্ঘদিন যাবৎ মদ্যপান করা ইত্যাদি কারণে গলা ব্যথা হতে পারে। গলা ব্যথার সময় আমাদেরকে সেই সকল খাবার খেতে হবে যেগুলো তরল খাবার। গলা ব্যথার সময় তরল খাবার খেলে গলার ব্যথা কম অনুভূত হয়।

তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক গলা ব্যথা হলে কি কি খাবার খাওয়া উচিত,

  • আদা চা ঃ আদাতে উপস্থিত এন্টি অক্সিডেন্ট এবং জিনজারোলস নামক বায়োকটিভ উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং কফ, গলা ব্যথা প্রদাহকারী ভাইরাসকে ধ্বংস করে।
  • গাজরঃ গলা ব্যথা কমাতে গাজরের সুপ ও গাজরের ঝোল খুব উপকারী। গাজরের ঝোলে উপস্থিত ভিটামিন সি যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং গাজরে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন গলা ব্যথা সারাতে ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
  • ডিমঃ টনসিল বা গলা ব্যথা সময় সরে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিনের সরবরাহের জন্য ডিম খুব উপকারী।
  • হলুদঃ গলা ব্যথা সারতে হলুদ এবং দুধ একসাথে ফুটিয়ে খাওয়ার রয়েছে অনেক গুন কারণ দুধে উপস্থিত ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপস্থিত একত্রিত হয়ে খুব দ্রুত গলা ব্যথা থেকে উপসম ঘটায়।
  • ওটমিলঃ ওটমিলে রয়েছে অধিক পরিমাণ ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই গলাব্যথা কালীন সময়ে অটমিল খাওয়া খুব উপকারী এটা গলা ব্যথা কমতে সাহায্য করে।
  • সালাদঃ যেকোনো সবজির সুপ বা সালাদ বানিয়ে খেলে গলার ব্যথা দ্রুত সেরে যায় কারণ সুপ এবং সালাদে অধিক পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট উপস্থিত। আর গলা ব্যথা সারাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার সব থেকে বেশি উপযোগী। এন্টি অক্সিজেন ভাইরাস এবং ব্যাকটেরার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং কোষের ঝিল্লিকে সুরক্ষিত রাখে।
  • আইসক্রিমঃ আইসক্রিম গলার ব্যথা সারাতে খুব উপকারী এবং এটি গলার প্রদাহ কিছুক্ষণের জন্য কমায়।
  • দইঃ দই উপস্থিত প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ,প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া,  ইমিউনসিস্টেমকে স্ট্রং করে এবং ক্ষতিকর জীবনুকে ধ্বংস করে।

শেষ কথা 

আজকের এ আর্টিকেলটিতে আমি গলা ব্যথার ওষুধ এবং গলা ব্যথা হলে কি কি খাবার খাওয়া উচিত এইসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপনারা যদি আজকে আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং শেয়ার করতে ভুলে যাবেন না ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্বাগতম বিডিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url