রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার

ত্বকের যত্নে নিম পাতার ৫টি উপকারিতারূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার  কথা আমরা অনেকেই জানি কিন্তু কিভাবে রূপচর্চা করতে হয় সেগুলো জানে না। রূপচর্চা করার জন্য রূপচর্চায় বিষয়ে সঠিক ধারণা থাকতে হবে তার জন্য আমি আজকের এই পোস্টটিতে দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি ।

রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার

দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহারে কিভাবে করতে হবে কখন করতে হবে এবং কাঁচা হলুদের সাথে আর কি কি ব্যবহার করলে ত্বক সুরক্ষিত থাকবে সে সকল বিষয় জানতে হলে পুরো পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ রইলো

ভূমিকা

ত্বক আমাদের সকলেরই খুবই প্রিয় কারণ সকলেই চা নিজেকে আরো সুন্দর প্রকাশিত করতে। আর তার জন্য প্রয়োজন সুন্দর ঝলমলে উজ্জ্বল ত্বক। ত্বক উজ্জ্বল ঝলমলে সুন্দর করতে প্রয়োজন ত্বকের যত্ন। ত্বকের যত্নে দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার অনেক বেশি। তাই আমরা যদি আমাদের ত্বককে আকর্ষণীয় করে তুলতে চাই তাহলে অবশ্যই ত্বকের যত্ন নিতে হবে পাশাপাশি ত্বকের যত্নের দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার করতে হবে।

কাঁচা হলুদ দিয়ে কিভাবে ফর্সা হওয়া যায়

আমরা সবাই চাই আমাদের ত্বক যেন সব সময় উজ্জ্বল থাকে।  ব্রণের দাগ, কালচে কালচে ভাব, মেজতা এগুলো যেন আমাদের ত্বককে ড্যামেজ না করতে পারে সেজন্য আমরা মুখে অনেক রকমের ক্রিম , নাইট ক্রিম এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি দামি প্রোডাক্ট ইউজ করে থাকে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না শুধু শুধু আমাদের ড্যামেজ হয়ে যায়।
ত্বক  সুন্দর এবং সতেজ করতে কাঁচা হলুদ খুবই উপকারী। রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার অনেক প্রাচীন কাল থেকেই প্রচলিত।। ত্বকে কাঁচা হলুদ ব্যবহারের ফলে ত্বকের বিভিন্ন ডার্ক সার্কেল, রোদে পোড়া ভাব এগুলো কেটে যায়। আর আমাদের ত্বকের করে তোলে সুন্দর , উজ্জ্ব্‌ কোমল ও লাবণ্যময়ী ।

ত্বক কাঁচা হলুদ দেওয়ার ফলে ত্বকের মেলানিন হরমোন এর সকল ময়লা, এবং ত্বকের নিচে লুকিয়ে থাকা ডার্ক সার্কেল এগুলো পরিষ্কার হয়ে যায়। আর যখন ডার্ক মেলানিন হরমোন পরিষ্কার হয়ে যায় তখন আমাদের ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা হয়ে যায়। তাই বলা যায় রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার ফলে আমাদের ত্বক হয়ে ওঠে সুন্দর কোমল নমনীয় ও  মসৃণ ও লাবণ্যময়।

কাঁচা হলুদ মাখলে কি হয়

রূপচর্চায় কাঁচা হলুদ এর ব্যবহার অনেক আগ থেকেই হয়ে থাকে কারণ রূপচর্চায় কাচা হলুদ ব্যবহারের ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। এছাড়াও ত্বকের  কাঁচা হলুদ দিলে অনেক রকমের উপকার হয়। রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার ব্যবহারের ফলে যে সকল উপকার হয় সেগুলো নিচে দেওয়া হল,
ব্রণের দাগ কমায়ঃ প্রতিদিন বা সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন যদি  কাঁচা হলুদ এবং দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে দেওয়া হয় তাহলে মুখ ব্রনের দাগ কমে যাবে।

রোদে পরা ভাব দূর করতেঃ আমরা যখন স্কুল অথবা কলেজে যাই তখন আমাদের তোকে সূর্যের আলো লাগার ফলে কালচে কালচে অথবা রোদে পড়া ভাব তৈরি হয় তখন আমাদের ত্বক উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। তাই নিয়মিত যদি কাঁচা হলুদ এবং দুধ একসাথে মিশিয়ে সাথে এক চা চামচ বেসন অথবা চালের গুড়া মিশ্রিত করে ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে সমানভাবে যদি লাগিয়ে রাখা হয় তাহলে মুখে রোদে পোড়া ভাব দূর হয়ে যায়।
ত্বকের কালচে ভাব দূর করতেঃ তোকে ত্বকের যত্নে দুধ কাঁচা হলুদ এর ব্যবহার খুবই উপকারী। প্রাচীন কাল থেকেই ত্বকের যত্নে কাঁচা হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে এবং এখনো কাঁচা হলুদের ব্যবহার করে অনেকে উপকৃত হচ্ছেন। কাঁচা হলুদ বেটে মুখের প্রলেপ লাগালে তোকে কাল যে ভাব দূর হয়ে যায়। 

ফোলা ভাব কমাতেঃ আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা রাত জেগে পড়াশোনা করে অথবা তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ করে যার ফলে তো চোখের নিচ দিয়ে কালো দাগ পড়ে যায়। এই দাগ কমাতে কাঁচা হলুদের ব্যবহার খুবই উপকারী। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি কাঁচা হলুদ এবং দুধ একসাথে মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে চোখের নিচ দিয়ে লাগালে চোখের ফোলা ভাব কমে যায়।

ত্বকের শুষ্ক ভাব কমাতেঃ শীতকালে অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় যার ফলে অনেকে বিভিন্ন রকমের ময়শ্চারাইজার ইউজ করে। কিন্তু প্রতিদিন যদি কাঁচা হলুদ মুখের দেয়া যায় তাহলে মুখের শুষ্ক ভাব কমে আগ্রহ হয়ে যায়। যার ফলে ত্বক হয়ে ওঠে কোমল তুলতুলের এবং নরম।

রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার

ত্বকে সুন্দর ফর্সা উজ্জ্বল কোমল ও নমনীয় করতে দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার  অপরিসীম। দুধে প্রচুর পরিমাণ ল্যাটট্রিক এসিড থাকে যা আমাদের ত্বকের বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। আর কাঁচা হলুদের উপকারিতা অনেক বেশি কারণ কাঁচা হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন সি থাকে।

আরও পড়ুনঃ নিমপাতা বাটা চুলে দিলে কি উপকার হয়

ভিটামিন সি আমাদের ত্বকের জন্য খুব উপকারী। আমাদের ত্বকের সেলগুলো প্রতিনিয়ত পুরু হয়ে যাচ্ছে যার ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায় কিন্তু এন্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের সেল গুলো পুরু হতে দেয় না যার ফলে ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও লাবণ্যময়ী।

কাঁচা হলুদ ও দুধ একসাথে সমান পরিমাণ নিয়ে তার সাথে লেবুর রস মধু এবং বেসন নিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখের উপর পুরো করে প্রলেপ দিতে হবে। ২০ মিনিট পর যখন ফেসপ্যাক্টে একটু শুকনো শুকনো হয়ে যাবে তখন পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। কিন্তু মুখ ধোয়ার সময় সাবান ব্যবহার করা যাবে না কারণ সাবানে অনেক ধরনের কেমিক্যাল থাকে যার ফলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

আপনি যদি আপনার ত্বকে সুন্দর উজ্জ্বল তাহলে দিনে অন্তত একবার হলেও দুধ ও কাঁচা হলুদ এর ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে ব্যবহার করুন। আপনি যদি এই ফেসপ্যাক এক সপ্তাহ ব্যবহার করেন তাহলে আপনি নিজেই এর ফলাফল বুঝতে পারবেন যে এটা কতটা উপকারী।

কাঁচা হলুদ দিয়ে রূপচর্চা 

ত্বকের উপকারিতায় কাঁচা হলুদ এর গুনাগুন সকলেই জানেন কিন্তু তবুও সঠিক উপায় রূপচর্চা না করলে ক্ষতি হতে পারে। তাই কাঁচা হলুদ দিয়ে রূপচর্চা করার আগে জেনে নিতে হবে কিভাবে কাঁচা হলুদ ব্যবহার করতে হবে। কাঁচা হলুদ এর সাথে মধু অথবা চিনি মিশিয়ে যদি আপনি ত্বকে লাগান তাহলে আপনার তো অনেক উজ্জ্বল হবে।

কাঁচা হলুদ শুধু যে ত্বকের উপকারিতায় ব্যবহৃত তা নয় আপনি যদি কাঁচা হলুদ বেটে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে যেমন হাত পা ঘাড় অথবা গলায় ব্যবহার করেন তাহলে দেখবেন যে ঘাড় এবং বলা অনেক ফর্সা হয়ে গেছে। কাঁচা হলুদের ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে দিলে এর কোন সাইডএফেক্ট নেই কারণ এটি একদম প্রাকৃতিক উপায়ে রূপচর্চা করার একটি সবচেয়ে সহজ মাধ্যম।

আমরা সকলেই চাই যে আমাদের ত্বক যেন উজ্জ্বল সুন্দর এবং আকর্ষণীয় হয়। আর তার জন্য আমাদের প্রয়োজন ত্বকের যত্ন নেওয়া। ত্বকের যত্নে কাঁচা হলুদ খুবই উপকারি। কাঁচা হলুদে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের ব্রন, একনে র‍্যাশ, ফাইন লাইন দূর করতে সহায়তা করে। তাই বলা যায় রূপচর্চায় কাঁচা হলুদের ব্যবহার অনেক বেশি।

 ব্রণ দূর করতে কাঁচা হলুদ

মেয়েদের একটি কমন সমস্যা হল ত্বকের ব্রণ। এমন মেয়ে খুব কমই রয়েছে যারা ব্রণ নিয়ে চিন্তিত নয়। এমনকি ব্রন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন রকমের প্রোডাক্ট ইউজ করে। যার ফলে তোকে আরো বেশি ব্রণ এমনকি অনেক ক্ষেত্রে স্কিন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই ত্বকের যত্নে আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে।

ত্বককে বিভিন্ন রকমের রোগ সংক্রমণ ব্রণ ইত্যাদি সমস্যা থেকে দূরে রাখার জন্য ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। তাই এখন ঘরে বসেই প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া সম্ভব তাহলে আর ত্বকে ব্রনের সমস্যা হবে না। আর ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সব থেক কার্যকরী উপায় হলো কাঁচা হলুদ।

ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি যদি প্রতি রাতে কাঁচা হলুদ নিমপাতা এবং বেসন একসাথে মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন এবং সকালে উঠে যদি মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে পরিষ্কার করেন তবে দেখবেন যে আপনার মুখে ব্রনের দাগ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। এই ফেসপ্যাকটি অনেক উপকারী তাই আপনারা চাইলে ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

নিম পাতা ও কাঁচা হলুদ মুখে দিলে কি হয়

নিম পাতার উপকারিতা সকলের অবগত। আর তার সাথে যদি কাঁচা হলুদ যুক্ত করা যায় তাহলে তো আর বলাই লাগে না। নিম পাতা যে আমাদের ত্বকের জন্য কতটা উপকারী সেটা তারাই জানে যারা নিমপাতা ব্যবহার করেছে। তাই আপনি যদি নিম পাতার উপকারিতা জানতে চান তাহলে অবশ্যই নিমপাতা ব্যবহার করুন।

নিম পাতা আর কাঁচা হলুদ একসাথে পিষে কিছুক্ষণ হাত দিয়ে ফেটে আপনার ত্বকে যদি লাগান তাহলে আপনার টক অনেক সফট হবে। পাশাপাশি যাদের মুখে তৈলাক্ত তার সমস্যা রয়েছে তাদের তৈলাক্ত ভাব কমে যাবে। যাদের ত্বকে এলার্জি, চুলকানি বা বিভিন্ন রকমের সমস্যা রয়েছে তারা যদি নিম পাতা ও কাঁচা হলুদ মুখে দেয় তাহলে তাদের সে সকল সমস্যা থেকে খুব দ্রুত আরাম পাবেন।

কাঁচা হলুদের ফেসপ্যাক

কাঁচা হলুদের অনেক ফেসপ্যাক রয়েছে তার মধ্যে আপনি কোনটি ব্যবহার করবেন সেটা একান্তই আপনার ত্বকের উপর নির্ভরশীল। কারণ আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের ত্বকে এলার্জি রয়েছে, আবার অনেকের ত্বকের ব্রণ রয়েছে তাই কে কোন ফেসপ্যাক ব্যবহার করবেন তার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

এলার্জির জনিত ত্বকের ফেস প্যাক
মূলত যাদের ত্বকে এনার্জি রয়েছে তাদের ত্বকের জন্য এক চামচ নিমপাতা বাটা এবং এক চামচ কাঁচা হলুদ বাটা তার সাথে কিছুটা কাঁচা গরুর দুধ এবং মসুরের ডাল একসাথে মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে লাগালে তাদের এলার্জির সমস্যা কমে যাবে। এই ফেসপ্যাকটি এলার্জির জনিত ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
তেল তৈলাক্ত ত্বকের ফেসপ্যাক
যাদের ত্বক অনেক তৈলাক্ত তারা যদি কাঁচা হলুদ এবং মধু একসাথে মিশে ত্বকে লাগান তাহলে তো ভাব কমে যাবে।
ব্রণ জনিত ত্বকের ফেসপ্যাক
যাদের ত্বকে অনেক ব্রনের দাগ রয়েছে তারা যদি ব্রণের দাম কমাতে চান তাহলে অবশ্যই নিমপাতা বাটা এবং হলুদ এবং তার সাথে যদি এক চামচ চিনি মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে মুখে লাগান তাহলে আপনার ত্বকের ব্রণের দাগ আস্তে আস্তে কমতে থাকবে।

রূপচর্চায় দুধের ব্যবহার

ত্বকের যত্নে দুধের ব্যবহার অনেক বেশি হয় কারণ দুধের উপস্থিত ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণু ব্যক্তির আগে ধ্বংস করে। যার ফলে তো হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ফর্সা এবং নরম। দুধ কাঁচায় ব্যবহার করা ভালো কারণ কাঁচা দুধের ল্যাক্টিক এসিড এর পরিমাণ বেশি থাকে। কাঁচা দুধের পাশাপাশি রূপচর্চায় দুধের স্বর এর ব্যবহার ও করা হয়। দুধের স্বর ত্বকে ব্যবহার করার ফলে ত্বক হয়ে যায় ফর্সা।

আপনি যদি আপনার ত্বককে সুন্দর উজ্জ্বল ফর্সা এবং নরম তুলতুলে রাখতে চান তাহলে অবশ্যই রূপচর্চার তালিকায় দুধ ও কাঁচা হলুদ রাখবেন। কারণ দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহারের ফলে তোকে অনেক ক্ষতি কমে যাওয়ার ফলে ত্বক বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা করতে সক্ষম হয়।

লেখক এর মন্তব্য

উজ্জ্বল ঝলমলে ত্বক আমরা সকলেই চাই কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন আমাদের ত্বকের সঠিক যত্ন আজকের এই পোস্টটিতে আমি রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করছি আপনারাও উপরোক্ত ফেসপ্যাক গুলো ব্যবহার করলে উপকৃত হবেন।

তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং নিয়মিত আমার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবেন। পাশাপাশি আপনার বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনকেও শেয়ার করে তাদের রূপচর্চায় জন্য উৎসাহিত করবেন। পরবর্তী পোস্ট আসা পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্বাগতম বিডিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url