নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা-নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার

নবজাতকের জন্ডিস রোগের লক্ষণপ্রিয় পাঠক আপনি যদি নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা এবং নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার,ঔষধ সম্বন্ধে না জেনে থাকেন তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন। কারণ আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা এবং এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল তথ্য নিয়ে।

নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা-নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার

নবজাতকের নাভির যত্নে ক্যাস্টর অয়েল কি কাজ করে, নাভিতে বাদাম তেলের কি কাজ এবং নাভি শুকাতে কতদিন লাগে ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে হলে পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা-নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার .

নবজাতক শিশুকে সরিষার তেল দেওয়া যাবে কি?

যখন একটি নবজাতক শিশুর জন্ম হয় তখন সকলেই সেই শিশুর যত্নে ব্যস্ত হয়ে যায় যে শিশুর কিভাবে যত্ন নেবে,কিভাবে কখন খাওয়াতে হবে, কখন গোসল করাতে হবে,গায়ে তেল মালিশ করতে হবে নাকি লোশন দিতে হবে ইত্যাদি বিষয়ে। এই সকল বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হল নবজাতক শিশুর গায়ে তেল দেওয়া যাবে কিনা? তাহলে চলুন জেনে নিই যে নবজাতক শিশুর গায়ে তেল দেওয়ার বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেছেন,

আরও পড়ুনঃ নবজাতকের রক্তে বিলিরুবেন বেড়ে গেলে কি হয় জেনে নিন

ডাক্তাররা জানিয়েছেন যে, নবজাতকের গায়ে যে পুর আবরণ থাকে এটি বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন ভাইরাস থেকে রক্ষা করে। কিন্তু অনেকেই এই পুরো প্রাচীর কে শিশুর শরীর থেকে মুছে তুলে দেয় যার কারণে শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে। নবজাতকের শরীরে তেল মালিশ করলে শিশুর শরীর উষ্ণ থাকে।

সরিষার তেল খুব পুরু যার কারণে এটি মালিশ করলে শিশুর শরীরে র‍্যাশ বের হতে পারে এবং বাচ্চার শরীর তেল তেলে চিপ চিপকে হয়ে যায়। কিন্তু কেউ যদি চায় সে তার বাচ্চা শরীরে তেল মালিশ করবেন তাহলে অবশ্যই আপনি অলিভ অয়েল বা অন্য কোন তেল ব্যবহার করতে পারেন।

নবজাতক শিশুর নাভিতে তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহার করলে নাভি বিভিন্ন ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে দূরে থাকে। তাই আপনার বাচ্চার নাভি সুরক্ষিত রাখার জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।

কতবার নাভিতে তেল দিতে হয়?

নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা তো আমরা অনেক প্রাচীন কাল থেকেই জানি। নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহার করলে নাভি দ্রুত শুকিয়ে যায়। এছাড়াও নাভিতে তেল ব্যবহার করার কারণে নাভির সংক্রমণ দূর হয় নাভিতে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয় এমনকি তাড়াতাড়ি নাভি শুকিয়েও যায়।

নাভিতে তেল দিয়ে মালিশ করলে বাচ্চার ঘুম ভালো হয়,পেট ভাপা,পেট ব্যথা দূর হয় এছাড়াও নাভিতে তেল দিয়ে মালিশ করলে মা এবং শিশুর দুজনের মধ্যেকার বন্ডিং ভালো  হয়। নবজাতকের নাভি শুকিয়ে যাওয়ার পরে দিনে ২বার নাভিতে তেল দেওয়া উপকারী।

দুপুরবেলা গোসল করানোর পূর্বে অনেকেই বাচ্চাকে তেল মাখিয়ে গোসল করায়। আপনারা যদি চান তাহলে বাচ্চাকে গোসল করানোর পরে তেল মালিশ করতে পারেন। তেল মালিশ করার কারণে বাচ্চার শরীরের রোগ জীবাণু কমে যায়,ঠান্ডা লাগা জ্বর ইত্যাদি সংক্রমণ দূর হয়। এছাড়াও রাতে ঘুমানোর পূর্বে নবজাতকের নাভিতে তেল মালিশ করতে পারেন।

নাভিতে ক্যাস্টর অয়েল কি কাজ করে?

আমরা সকলেই বডি এবং হেড মাসাজ করে থাকি ভালো ঘুমের জন্য পাশাপাশি হেড মাসাজ করলে মাথার ব্যথা দূর হয়। আর বডি মাসাজ করার কারণে মাংসপেশির ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা দূর হয়। কিন্তু এখন আরেকটি মাসাজ খুব জনপ্রিয় সেটি হলো নাভির মাসাজ। তাহলে চলুন জেনে নি ই নবজাতকের নাভিতে ক্যাস্টর অয়েল মাসাজ করলে কি কি উপকার হয়,
  • নবজাতকের নাভিতে ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে মাসাজ করলে নবজাতকের পেটব্যথা, পেট ফোলা, কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থেকে সুরক্ষিত রাখা যায়।
  • নবজাতকের নাভি পরিষ্কার রাখতে ক্যাস্টর অয়েল খুব কার্যকরী।
  • নবজাতকের নাভি শুকাতে অথবা নাহি শুকিয়ে যাওয়ার পরে বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল খুব কার্যকরী।
  • শীতকালীন সময়ে শিশুর ঠান্ডা লাগা সর্দিভাব এবং জ্বর এর প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে শিশুর নাভি সহ পুরো শরীরে ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে মাসাজ করলে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়।
  • নাভির চারপাশে ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে মাসাজ করলে নাভির পাশে উপস্থিত সকল দাগ দূর হয়।
  • নবজাতক এবং প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরে যদি এলার্জি,ফুসকুড়ি র‍্যাশ জনিত সমস্যা থাকে তাহলে নাভিতে ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে মালিশ করলে দ্রুত উপশম পাওয়া যায়।

নাভিতে বাদাম তেলের কাজ কি?

নাভিতে ক্যাস্টর অয়েল, নারিকেল তেল, সরিষার তেল অলিভ অয়েল ইত্যাদি তেল ব্যবহার করলে যেমন উপকারিতা পাওয়া যায় ঠিক তেমনি নাভিতে বাদাম তেল ব্যবহার করলেও কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। এছাড়াও নবজাতকের নাভিতে বাদাম তেল ব্যবহারের ও রয়েছে ব্যাপক উপকারিতা। নাভিতে বাদাম তেল ব্যবহার করলে যে সকল উপকার পাওয়া যায় চলুন জেনে নিই সে উপকারগুলো,
  • রাতে নাভিতে দুই থেকে তিন ফোঁটা বাদাম তেল দিয়ে মালিশ করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় ।
  • নবজাতকের নাভিতে বাদাম তেল ব্যবহার করলে শিশুর শরীর কোমল থাকে এবং ধুলোবালি আটকায় না।
  • প্রাপ্তবয়স্ক এবং নবজাতক শিশুর রাতে ভালো ঘুমের জন্য নাভিতে বাদাম তেলের মালিশের কোন বিকল্প নেই।
  • এছাড়াও হঠাৎ করে যদি নবজাতকের শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে বাদাম তেল দিয়ে মালিশ করলে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে থাকে।
  • মাসিক কালীন ব্যাথার উপশম ঘটাতে যদি পেটে এবং নাভিতে বাদাম তেল দিয়ে মালিশ করা হয় তাহলে ব্যথা তীব্রতা কিছুটা কমে।
ওপরে বর্ণিত পাঁচটি পদ্ধতি আপনারা চাইলে আপনার সন্তান এবং আপনার নিজের উপরও প্রয়োগ করে দেখতে পারেন যে বাদাম তেল শরীর জন্য কতটা উপকারী। আমি নিজে আমার বাচ্চার নাভিতে বাদাম তেল ব্যবহার করেছি এবং এর সুফল ভোগ করেছি। এছাড়াও মাসিকের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে আমার সকলে ব্যবহার করতে পারি।

নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা

নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহার করলে যে সকল উপকারিতা লাভ করা যায় চলুন সেগুলো জেনে নিই,

  • নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহার করলে শিশুর শরীর উষ্ণ থাকে যার কারণে ঠান্ডা লাগা থেকে শিশুকে সুরক্ষিত রাখা যায়।
  •  শিশুর শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণ বেড়ে গেলে তেল দিয়ে মালিশ করার কারণে শরীরের তাপমাত্রা কমতে থাকে।
  • নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহার করলে শিশুর পেট ব্যথা পেট ফোলা পেটের রাস দূর হয়।
  • নবজাতকের নাভিতে তেল দিয়ে মালিশ করলে শিশুর শরীরে রোগ জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা পায়।
  • নাভি শুকাতে তেল ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।
  • নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহার করলে নবজাতকের রাতের ঘুম ভালো হয় এবং শরীরের ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম পায়।
  • যদি নবজাতকের জ্বর আসে তখন তেল দিয়ে পুরো শরীর এবং নাভি মালিশ করলে জ্বর যায়।

নবজাতকের নাভি শুকানোর পাউডার নাম

নবজাতকের জন্মের পরে কিছুদিনের মধ্যে নাভি শুকিয়ে যায়। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে দীর্ঘদিন পরেও নাভি শুকায় না। এই নাভি না শুকানোর অনেকগুলো কারণ রয়েছে তার মধ্যে কয়েকটি কারণ হলো, নাভি ঢেকে রাখা, আলো এবং সূর্যের আলোর সংস্পর্শে না নিয়ে আসা,অপরিষ্কার হাতে নাভি ছোঁয়া ইত্যাদি কারণে নাভি অনেক সময় শুকায় না।

তবে সঠিক সময় মত যদি নাভি না শুকায় সে ক্ষেত্রে ডাক্তাররা পাউডার বা ওষুধ লিখে দেয়। নাভি শুকাতে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগতে পারে। কিন্তু ৭ থেকে ১০ দিন পরেও যদি না ভি না শুকায় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা নাভির ঘা শুকানোর জন্য ডাক্তারের যে সকল পাউডার সাজেস্ট করেন তার মধ্যে দুইটি হলো হেক্সিকোড, নেবানল পাউডার ।

তবে আপনি কখনোই নিজের ইচ্ছামত ডাক্তারগিরি করতে যাবেন না অবশ্যই একটা ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন। কারণ নাভি হলো অনেক সেনসিটিভ একটি অঙ্গ কোন কারনে যদি নাভিতে ইনফেকশন হয় তাহলে নবজাতকের প্রাণ নাশের ও সম্ভাবনা থাকে।

নাভির ঘা শুকাতে কতদিন লাগে

নবজাতকের জন্মের পরে নাভির ঘা শুকাতে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগে। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে ৭ থেকে ১০ দিনের বেশি সময়ও লাগতে পারে। আবার এই সময় এরকম অনেক ঘটনা দেখা গিয়েছে যে, বাড়ির লোক মনে করে যে স্বাভাবিকভাবে কিছুদিন সময় লাগছে কিন্তু পরবর্তীতে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে জানা যায় যে বাচ্চার নাভিতে ইনফেকশন হয়েছে এবং নাভি দিয়ে রক্ত এবং পুজ পড়ে।

এই সকল সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের জনসাধারণের প্রয়োজন সর্তকতা। হ্যাঁ আমরা জানি যে একটি বাচ্চার জন্মের 7 থেকে 10 দিন অথবা কোন ক্ষেত্রে ১৫ দিনের মধ্যে নাভি শুকিয়ে পড়ে যায়। কিন্তু তাই বলে যে আমরা অবহেলা করবো কোন খেয়াল করবো না এটা করলে চলবে না। আপনাকে অবশ্যই আপনার শিশুর যত্ন নিতে হবে এবং শিশুর শরীর স্বাস্থ্যর দিকে সতর্ক থাকতে হবে।

নবজাতকের নাভির ঘা শুকানোর মলোম-নবজাতকের নাভি শুকানোর উপায়

নবজাতকের নাভি সুস্থ রাখার জন্য এবং নাভিতে যেন কোন রকমের রক্ত পুজ জমা না হয় তার জন্য একটি মলম ব্যবহার করা হয়। যখন নবজাতক জন্মগ্রহণ করে তখন হাসপাতালে নার্স এই মলম নাভিতেতে লাগিয়ে দেয়। শিশুর নাভি শুকানোর এই মলম টির নাম হল ক্লোরহেক্সিডিন।

এছাড়াও নবজাতকের নাভি শুকানোর কিছু উপায় রয়েছে যেগুলো হলো নবজাতকের শরীরের ওপর ভারী কিছু দিয়ে ঢাকা না দিয়ে খোলামেলা রাখতে হবে। নবজাতকের শরীরের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যের আলো লাগতে পারে সেই রকম পরিবেশে রাখতে হবে। এছাড়াও নবজাতকের নাভি যেন কোন প্রকারের ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত না হয় তার জন্য সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জামাকাপড় পরাতে হবে।

আর আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো যিনি বাচ্চার সেবা যত্ন করবেন তিনি যেন সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবেন নয়তো তার মাধ্যমে নবজাতকের শরীরে জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে। যতক্ষণ পর্যন্ত না নাভি শুকিয়ে পড়ে যায় তার আগ পর্যন্ত বাচ্চাকে বেশি পরিমাণ পানি দিয়ে গোসল করানো যাবে না।

যদি প্রয়োজন পরে বাচ্চাকে গোসল করানোর তাহলে তোয়ালে পানিতে ভিজিয়ে শরীর মুছিয়ে দিবেন। নবজাতকের নাভিতে যেন মাছির সংক্রমণ না ঘটে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন তা বজায় রেখে নবজাতককে কোলে নিতে হবে।

শেষ কথা

আজকের এ আর্টিকেল টির মাধ্যমে আমি আপনাদেরকে নবজাতকের কিভাবে যত্ন নেবেন এবং নবজাতকের নাভিতে তেল ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছি। নবজাতকের নাভি শুকানোর জন্য কি কি পাউডার এবং কোন মলম কার্যকারী আপনি আজকের আর্টিকেল থেকে জানতে পারবেন।

আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি যদি উপকৃত হন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আপনি যদি নবজাতকের যত্নের বিষয়ে কোন কিছু জানতে চান তাহলে কমেন্ট করবেন আমি আপনাকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। এই আর্টিকেলটি আপনি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধবদের সাথে শেয়ার করে দিবেন এবং নিয়মিত ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্বাগতম বিডিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url