লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় - লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায়

বর্তমান সময়ে গরমের তীব্রতার কারণে যে সকল ব্যক্তির উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তারা তো চিন্তায় রয়েছেন এবং যাদের লো প্রেসার রয়েছে তারাও দুশ্চিন্তায় ভুগছেন যে লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয়? লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় এবংলো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় এই বিষয়ে আজকের আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত আলোচনা করব।

লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় - লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায়

আজকের এ আর্টিকেলটির মাধ্যমে লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় এবং লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে কিনা এবং আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনার লো প্রেসার ইত্যাদি বিষয় জানতে আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন।

লো প্রেসার বলতে কি বুঝ ?

আমরা সকলেই জানি যে শরীরের জন্য উচ্চ রক্তচাপ বা হাই প্রেসার খুব ক্ষতিকর। কিন্তু লো প্রেসার শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করে সে বিষয়ে আমরা অবগতই নয়। প্রসঙ্গক্রমে উঠে এসেছে যে লো প্রেসারে হার্ট এটাকের সম্ভাবনাও থাকে তাই অবশ্যই আমাদেরকে জানতে হবে যে লো প্রেসার কি?

রক্তের সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক চাপকে ব্লাড প্রেসার বা রক্তের চাপ বলে । রক্তের সিস্টোলিক চাপের স্বাভাবিক মাত্রা হল  ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপের মাত্রা হলো ৮০। একটি মানুষের স্বাভাবিক রক্তের চাপ হল ১২০/ ৮০ মি.মি।

সহজ ভাষায় লো প্রেসার বলতে বোঝায় রক্তের সিস্টলিক এবং ডাইসটোলিক চাপের মাত্রা ১২০/ ৮০ এর নিচে। অর্থাৎ লো প্রেসার এর মাত্রা ৯০ বাই ৫০ কে বুঝায়।

লো প্রেসার কেন হয় ?

লো প্রেসার এর কারণে বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মূলত লো পেশার কোন রোগ নয়। লো প্রেসার হলো বিভিন্ন রোগের উপসর্গ বা সতর্কবার্তা। লো প্রেসার এর ফলে আমাদের শরীরে ব্যাপক রকমের রোগ বাসা বাঁধে এমনকি  সাধারন মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে যে লো প্রেসারে কে হার্ট অ্যাটাক হয়? 

আরও পড়ুনঃ কিডনি ইনফেকশন ফেইলিওয়ার ড্যামেজ  কেন হয়

এই সকল প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আজকের আর্টিকেলটি। লো প্রেসার যেহেতু কি জানলাম তাহলে অবশ্যই এখন জানতে হবে যে লো প্রেসার কেন হয়? প্রেসার লো রাতারাতি হয় না বরংকিছুদিন বা কিছু সময় থেকেই মানুষের শরীরের  রক্তচাপ কমতে থাকে। তাহলে চলুন এখন জেনে নিই লো প্রেসার হওয়ার কারণগুলো কি কি,

  • শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিনের সরবরাহ না থাকার কারণে লো প্রেসার হয়।
  • রক্তস্বল্পতার কারণে প্রেসার লো হয়ে যায়।
  • বয়সের তুলনায় শরীরের ও ওজন কম হওয়ার কারণে প্রেসার লো হয়ে যায়।
  • অধিক পরিমাণ দুশ্চিন্তা, রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হওয়া কারণে প্রেসার লো হয়।
  • দীর্ঘদিন যাবৎ অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাওয়ার কারণে শরীর দুর্বল হয়ে যায় যার কারণে প্রেসার লো হতে থাকে।
  • হরমোন জনিত কারণে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার কারণে ও প্রেসার লো হয়।
  • মাছ মাংস ডিম এগুলো না খাওয়ার কারণে শরীর অপুষ্টিতে ভোগে যার ফলস্বরূপ প্রেসার লো হতে থাকে।
  • অধিক পরিমাণ কায়িক পরিশ্রম করা, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না খাওয়া,সময় মত খাবার না খাওয়া ইত্যাদি করানোর প্রেসার লো হয়।
  • অধিক বয়স্ক মানুষদের পেশার লো হয়ে যায় কারণ তারা সারাক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকে যার ফলে তাদের শরীরের মুভমেন্ট কমে যায়।
  • রক্তে আয়রন হিমোগ্লোবিন এর অভাবেও রক্তচাপ কমতে থাকে।
  • ভিটামিন খনিজ পদার্থ শর্করা জাতীয় খাবার বর্জন করলে রক্তচাপ কমতে থাকে।
  • দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ডিম দুধ ফল না খেলে শরীরের স্বাভাবিক রক্তের চাপ কমতে থাকে যার কারণে লো প্রেসারে আক্রান্ত হন।
  • ডায়রিয়া বদহজম বমি করার কারণে পেশা লো হয়।
  • রক্তের প্রয়োজনীয় পরিমাণ লবণের ঘাটতি দেখা দিলে প্রেসার লো হতে থাকে।
  •  রক্ত পরিবহনকারী ধমনী অধিক পরিমাণ সংকোচন এবং প্রসারনের কারণে প্রেসার লো হতে থাকে।

প্রেসার লো হলে কি কি সমস্যা হয় ?

 আপনার শরীরের রক্তের স্বাভাবিক মাত্রা কমে গেলে বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দেয় যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার প্রেসার লো। প্রেসার লো হলে যে সকল সমস্যা হয় তার মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন হলো লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় এরকম আরো কি কি সমস্যা হয় সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো,

  • প্রেসার লো হলে যে সকল সমস্যা দেখা দেয় তার মধ্যে প্রধান সমস্যা হলো যে মাথার ঘোরানো এবং ঘাড়ের রগ টেনে ধরা।
  • আপনি যদি বসে থাকেন তাহলে উঠতে লাগলে মাথা ঘুরে পড়ে যেতেও পারেন যদি প্রেসার লো হয়ে যায় তাহলে।
  • প্রেসার লো হওয়ার কারণে চোখে ঝাপসা দেখে যার ফলে হাঁটাচলা করতে গেলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • এমন খেয়ে অনেক দেখা গেছে যে প্রেসার লো হওয়ার কারণে পেশেন্ট অজ্ঞান হয়ে যায়।
  • প্রেসার লো হয়ে গেলে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়।
  • প্রেসার লো হয়ে যাওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রে বমি হয়।
  • প্রেসার লো হয়ে যাওয়ার কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
  • স্পেশাল লো হওয়ার কারণে হাঁটাচলা করার শক্তি পাওয়া যায় না যার দরুন একঘেয়েমি অলসতা অবসর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
  • প্রেসার লো হয়ে গেলে রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় যার কারণে চোখ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • এছাড়াও প্রেসার লো হয়ে গেলে যেহেতু রক্তের প্রবাহ বন্ধ হয় সে তো হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও রয়েছে।
  • প্রেসার লো হয়ে গেলে যেহেতু শরীরের বিভিন্ন কোষে এবং শিরায় শিরায় রক্তের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় যার কারণে বুক ব্যথা করে অজ্ঞান হয় হয়ে যায় এবং যে সকল ব্যক্তির হাঁপানি বা অ্যাজমার সমস্যা রয়েছে তাদের নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।

লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় ?

বর্তমান সময়ে গুগলে অধিক খোঁজাখুঁজির একটি বিষয় হলো লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয়? হ্যাঁ বন্ধুরা আজকে আপনাদের সুবিধার জন্য আমি লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় এই বিষয়ে আলোচনা করব।

লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় - লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায়

রক্তের সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টলিক চাপের কারণে রক্তের বিভিন্ন শিরায় উপশিরায় রক্ত সরবরাহ হয়। কিন্তু যদি ডায়াস্টলিক এবং সিস্টোলিক এর স্বাভাবিক মাত্রা কমে যায় তাহলে শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ  মস্তিষ্ক হৃদপিন্ডের পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্তের সরবরাহ হয় না।

মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্ত এবং অক্সিজেনের সরবরাহ না হওয়ার কারণে মাথার পেছনে ব্যথা এবং ঘাড়ের রং টেনে ধরে। পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্ত সরবরাহ না হওয়ার কারণে মস্তিষ্কে নার্ভের ওপর চাপ পড়ে যার কারণে ব্রেনের ইন্টারনাল হ্যামারেজ হয়।

হৃদপিন্ডে পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্তের সরবরাহ না হওয়ার কারণে বুক ধরফর করে, বুকের ডান পাশে ব্যথা অনুভব হয় এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও থাকে। এছাড়াও হার্ট এ পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্ত সরবরাহ না হওয়ার কারণে হার্ট ব্লক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

লো প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপের কারণে অন্তক্ষরা গ্রন্থিতে রক্তের সরবরাহ কমে যায় যার কারণে শরীরের অঙ্গ স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারায় যার কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ বেড়ে যায়।

প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ 

প্রেসার লো হয়ে যাওয়াকে মেডিকেল সাইন্সে বলা হয় হাইপোটেনশন বা নিম্ন রক্ত চাপ। নিম্ন রক্তচাপের প্রধান এবং প্রথম লক্ষণ হলো মাথা ঘোরা এবং ঘাড়ের রগ টেনে ধরা। এছাড়াও প্রেসার লো হওয়ার কিছু লক্ষণ রয়েছে সেগুলো হলো,

  • মাথা ঘোরা
  • বুক ধরফর করা, বুকে জ্বালা করা, বুকে ব্যথা করা
  • ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া
  • হঠাৎ করে কাশি শুরু হওয়া
  • হার্টবিট বৃদ্ধি পাওয়া
  • ক্লান্তি অনুভব করা
  • হঠাৎ করেই ১০২° ফারেনহাইটের মত জ্বর
  • বমি হওয়া
  • হাত-পা অবশ হওয়া এবং হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
  • প্রেসার লো হয়ে যাওয়ার পূর্ব লক্ষণ হল কোন কিছু ধরার বা কোন কাজ করতে থাকলে সে কাজ সম্পন্ন করার মত শক্তি না পাওয়া।

যখন কোন ব্যক্তির হঠাৎ করে প্রেসার লো হয়ে যাবে তখন তার মধ্যে উপরে বর্ণিত লক্ষণ গুলো প্রকাশ পাবে। আপনি যদি কখনো অনুভব করেন যে আপনার অথবা আপনার আশেপাশের কোন ব্যক্তির মধ্যে উপরোক্ত লক্ষণগুলো প্রকাশ পাচ্ছে তাহলে দ্রুত তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন।

হঠাৎ প্রেসার লো হলে র করণীয় ?

হঠাৎ করে যদি কোন ব্যক্তির প্রেসার লো হয়ে যায় তাহলে তাকে তাৎক্ষণিক ডাক্তারের কাছে না নিয়ে যায় ঘরে উপস্থিত জিনিসপত্র দিয়ে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিতে হবে। হঠাৎ করে প্রেসার লো হলে কি করতে হবে সেগুলো হল,

  • প্রেসার লো হয়ে গেলে হাতে সরিষার তেল নিয়ে পায়ের তালুতে এবং পুরো শরীরে মালিশ করতে হবে যেন শরীরে প্রেসার বৃদ্ধি পায়।
  • প্রেসার লো হয়ে গেলে দ্রুত সম্ভব ডিম সিদ্ধ করে খাওয়াতে হবে।
  • হঠাৎ করে প্রেসার লো হয়ে গেলে ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যেমন কফি অথবা চা খাওয়াতে হবে কারণ কফিতে উপস্থিত ক্যাফেন ব্লাড প্রেসার দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে।
  • রক্তচাপ হঠাৎ করে কমে গেলে লবণ পানি খাওয়াতে হবে কারণ লবণ খেলে দ্রুত রক্তের চাপ বাড়ে।
  • হঠাৎ করে রক্তের চাপ কমে গেলে শরবত লেবুর শরবত আখের গুড়ের শরবত খাওয়াবেন।
  • ব্লাড প্রেসার দ্রুত বৃদ্ধি করতে ওর স্যালাইন খাওয়াতে হবে।

প্রেসার লো হলে কি খেতে হবে ?

লো প্রেসার কমানোর জন্য সেই সকল খাবার খেতে হবে যেগুলোতে উচ্চ মানের প্রোটিন ক্যালরি বিদ্যমান। লো প্রেসার হলে লো প্রেসার কে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ছোট মাছ, দুধ, ডিম, ফলমূল, ওরস্যালাইন, আখের গুড়,লেবুর শরবত,লবণ পানি খেতে হবে।

 লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় 

লো প্রেসার বা হাইপোটেশন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব জরুরী কারণ লো প্রেসারের কারণে হৃদরোগের ঝুকি বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও লো প্রেসারের কারণে যকৃত কিডনি লিভার মস্তিষ্ক এমনকি লো প্রেসারের কারণে হার্ট এটাক এর সম্ভবনা ও থাকে। তাই লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ঘরোয়া উপায়ে লো প্রেসার কমানোর ট্রিক্স গুলো হলো,

  • লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে।
  • অধিক পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
  • শরীরকে হাইড্রেট রাখার জন্য ডাবের পানি খেতে হবে।
  • শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করার জন্য ছোট মাছ খেতে হবে।
  • লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পরিমাণ মতো লবণ রাখতে হবে।
  • লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
  • লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রতিদিন সকালবেলা ভিজিয়ে রাখা কিসমিস, কাজু বাদাম, কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
  • লো প্রেসার বা হাইপোটেশন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম খেতে হবে।
  • লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ঘরোয়া উপায় অবলম্বন এর মধ্যে আরেকটি উপাদান হলো ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যেমন চা কফি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।

লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলো অবলম্বন করতে চাইলে আপনি উপরে বর্ণিত ট্রিক্স গুলো ফলো করতে পারেন। আপনি যদি উপরে বর্ণিত  নিয়ম অনুসারে খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন করেন তাহলে খুব সহজে আপনার লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

শেষ কথা।লো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় - লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায়

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলটির মাধ্যমে আমি আপনাদেরকেলো প্রেসারে কি হার্ট এটাক হয় এবং লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলো জানানোর চেষ্টা করেছি। আপনারা যদি আজকের আর্টিকেলটি পড়ে নিজেরা সতর্কতা অবলম্বন করেন এবং অন্যকে সহায়তা করেন তাহলে আপনি এবং আপনার আত্মীয়-স্বজনরা সুস্থ জীবন কাটাতে পারবেন।

লাইফ স্টাইল নিয়ে এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে নিয়মিত আমার স্বাগতমবিডি ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন এবং আর্টিকেলটি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধবদের সাথে শেয়ার করে দিবেন ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্বাগতম বিডিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url