পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাবো-পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অনলাইনে চেক

প্রিয় পাঠক আপনি  কি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাবেন এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অনলাইনে চেক করে কিভাবে জানেন না? যদি না জেনে থাকেন তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই আজকেরে আর্টিকেলটির মাধ্যমে আমি আপনাদেরকে জানাবো যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে আপনারা পাবেন।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাবো-পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অনলাইনে চেক

আজকে আপনাদেরকে আরো জানাবো যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কত সময় লাগে এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর সার্টিফিকেট কি কি কাজে লাগে পাশাপাশি এই সার্টিফিকেট পেতে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাই পুরো আর্টিকেলটি না টেনে মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাবো-পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অনলাইনে চেক .

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স  কি?

আমরা অনেকেই জানিনা যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বলতে কী বোঝায়? পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বলতে বোঝায় যে আপনি যে দেশে অবস্থান করছেন সেই দেশের নাগরিক এবং আপনি কোন অপরাধের সাথে যুক্ত নয় এবং সেই দেশের থানাতে আপনার নামে কোন মামলা নেই।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স তখন প্রয়োজন হয় যখন আপনি বাইরের দেশে পড়াশোনার জন্য বা চাকরির জন্য যেতে চান তখন। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়া আপনি বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট থেকে বের হতে পারবেন না কিংবা যেই দেশে আপনি ভ্রমণ বা যেতে চান সেই দেশের এয়ারপোর্টে আপনি প্রবেশ করতে পারবেন না।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বিষয়টি হলো যে আপনাকে আপনার দেশ ঘোষণা দিবে যে আপনি কোন অপরাধের সাথে যুক্ত নয় এবং যেই দেশে অবস্থান করবেন সেই দেশ আপনার দ্বারা কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ পুলিশে রা কখনো অপরাধীদেরকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করেনা।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কত সময় লাগে ?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট জমা দেওয়া শেষে আপনাকে ভেরিফাই করার জন্য আপনার তদন্ত করবে পুলিশ কর্তৃপক্ষ। পুলিশ তদন্ত করে যদি আপনার চারিত্রিক গুণাবলীতে কোন রকমের দোষ ত্রুটি বা অপরাধমূলক কোন তথ্য খুঁজে না পাই তাহলে আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সি পাওয়ার যোগ্য বলে নির্বাচিত হবেন।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাবো-পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অনলাইনে চেক

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সি পাওয়ার জন্য আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করে ফরম জমা দেওয়ার সময় আপনাকে একটি টোকেন দেওয়া হয়ে থাকবে এবং সেই দোকানের নির্দিষ্ট একটি তারিখের মধ্যে সেই টোকেন বা কাগজটি আপনার বর্তমানে অবস্থিত থানাতে জমা দেওয়ার কথা উল্লেখ করা থাকবে।

আপনি যখনই টোকেন টি আপনার বর্তমান থানাতে জমা দিবেন তখন পুলিশ কর্তৃপক্ষ আপনার তদন্ত করবে। তদন্তের কাজ যদি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় তাহলে আপনি ৭ কর্ম দিবসের মধ্যেই আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য কি কি লাগে?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য আপনাকে কিছু তথ্য অনলাইনে অথবা আপনার অবস্থানরত থানাতে জমা দান করতে হয়। তাহলে চলুন এখন আমরা জেনে নেই যে কি কি কাগজ বা সার্টিফিকেট লাগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য।

  • আপনি অনলাইনে যেই ফর্মটি পূরণ করবেন তার একটি কপি লাগবে।
  • আপনি যদি বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিক হন তাহলে পাসপোর্টের সত্যায়িত পাতার স্ক্যান কপি  লাগবে। 
  • আপনি যদি বিদেশি নাগরিক হন তাহলে আপনার নিজ দেশের জাস্টিস অফ পিস কর্তৃক পাসপোর্ট এর স্ক্যান কপি লাগবে।
  • সবশেষে বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে সার্ভিস চার্জ প্রদান করা লাগবে।
  • আপনি যদি বাংলাদেশী নাগরিক হন তাহলে আপনাকে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের সত্যায়িত স্ক্যান কপি এবং আপনার পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগবে যে ছবিটি সদ্য তোলা।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কেন প্রয়োজন?

বাইরের দেশে ট্রাভেল করার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ  অবদান রাখে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর মাধ্যমে এটা নিশ্চিত হয় যে আপনি যে দেশে যেতে চান সেই দেশ আপনার দ্বারা কোন প্রকার ক্ষতি হবে না এবং আপনি কোন অপরাধী নয়। তাই বাইরের কোন দেশে ভ্রমণে অথবা প্রবাসী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট।

এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের রয়েছে অনেকগুলো প্রয়োজন যেগুলো আমরা জানি না। কিন্তু একজন নাগরিক হিসেবে আমাদের জানা উচিত কেন প্রয়োজন,

  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে আপনি যেই দেশেই ভ্রমণ করেন না কেন আপনি সেই দেশের নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হয় এরকম কোন কাজ করবেন না।
  • যদি কোন ব্যক্তি বাইরের কোন দেশে গিয়ে অপরাধ করে পার না পাই বা পালিয়ে নিজের দেশে ফিরে না আসতে পারে তার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ।
  • বাইরের দেশে আপনি ভ্রমণ করলে সেই দেশে আপনার নিজ দেশের সুনাম রক্ষার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন রয়েছে।
  • এছাড়াও দেশ থেকে কতজন ব্যক্তি বিদেশে প্রবাসী রয়েছেন এবং কতজন ব্যক্তি বিভিন্ন কাজের সূত্রে অথবা ভ্রমণের জন্য দেশের বাইরে যেতে ইচ্ছুক তাদের বিষয়ে একটা সঠিক তথ্য রাখার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন।

কি কি মামলা থাকলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না?

মনে করেন যে আপনি ঠিকঠাক ভাবে অনলাইনে ফরম পূরণ করে আবেদন করেছেন কিন্তু তবুও আপনার আবেদনটি ক্যান্সেল হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যে সব ঠিকঠাকভাবে পূরণ করার পরও কেন আবেদনটি ক্যান্সেল হয়ে গেল। এই আবেদন ক্যান্সেল হওয়ার কারণ হতে পারে যে আপনার নামে মামলা রয়েছে।

থানাতে যদি আপনার নামে ফৌজদারি মামলা থাকে তাহলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়া খুব দুষ্কর হয়ে যাবে। যদিও আমাদের দেশে মামলা মকদ্দমায় জড়িত কোন ব্যক্তিকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার আইন নেই তবে যদি কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় যে সম্পূর্ণ ভুল তবে আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে পারেন।

আমার প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন যে,থানায় যদি আপনার নামে ফৌজদারি মামলা থাকে তাহলে আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাবেন না। এছাড়াও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ার অনেক কারণ রয়েছে যেমন আপনি যদি সঠিকভাবে অনলাইন আবেদন না করতে পারেন তাহলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ক্যানসেল হতে পারে ।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাবো?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাব এই কথাটি আমাদের মাথায় ঘুরপাক খায়। কিন্তু আমরা কিছুতেই বুঝতে পারে না যে আমরা সাধারণ মানুষ কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাব। আপনি যদি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে চান তাহলে আজকে যে সকল কথা বলব সেগুলো আপনার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে এই লিংকে প্রবেশ করতে হবে। এই লিংকে প্রবেশ করার পর আপনার সকল সঠিক তথ্য দিয়ে ফরমটি ফিলাপ করতে হবে। মনে রাখতে হবে যে ফর্মে যে সকল তথ্য দিবেন সেগুলো যেন আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে মিল থাকে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আপনাকে আপনার বর্তমান ঠিকানা দেওয়ার সময় খুব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যদি আপনি আপনার ডকুমেন্টে আপনার বর্তমান থানার নাম না দিয়ে আপনার অতীতের থানার নাম উল্লেখ করেন এবং আপনি বর্তমান থানা তে অবস্থান করেন তাহলে আপনার আবেদনটি ক্যান্সেল হতে পারে।

উপরে বর্ণিত সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই জেলা পুলিশ কিংবা মেট্রোপলিটন এলাকায় বসবাস করতে হবে। আপনি ফরমে যে থানা উল্লেখ করবেন আপনাকে সেই থানার বাসিন্দা হতে হবে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার সময় যদি আপনার পাসপোর্ট এর সঠিক ঠিকানা না থাকে তাহলে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা স্থানীয় কাউন্সিলের সনদপত্র ফটোকপি করে সত্যায়িত করে দিতে হবে।

আপনি যদি বিদেশে অবস্থান করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে চান তাহলে আপনি যে দেশে অবস্থান করছেন সেই দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার সময় পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা ছবি যুক্ত করতে হবে।

আপনি যদি ফর্মে উল্লেখিত সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করে ফরমটি ফিলাপ করেন তাহলে আপনাকে একটি টোকেন দেওয়া হবে। সেই টোকেনে উল্লেখ থাকবে যে আপনাকে আপনার নিকটস্থ জেলা আওতাধীন থানা তে অথবা মেট্রোপলিটন থানাতে জমা দিতে হবে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে।

আপনি যদি টোকেনে উল্লেখিত তারিখের মধ্যে আপনার টোকেনটি উল্লেখিত থানাতে জমা দেন তাহলে থানা কর্তৃক আপনার তদন্ত করবে। পুলিশ তদন্ত করে দেখবে যে আপনার পূর্বে কোন ক্রাইম রিপোর্ট অথবা সন্ত্রাসের সাথে কানেকশন আছে কিনা। যদি আপনার তদন্ত সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় তাহলে ৭ দিনের মধ্যে আপনি আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন।

আপনি যদি মনে করেন যে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আপনি নিজে সশরীরে যেয়ে গ্রহণ করবেন তাহলে আপনার এলাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষ অথবা পুলিশ সুপারের অফিস থেকে গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও আপনি যদি মনে করেন যে আপনি কুরিয়ার ডাক বিভাগের মাধ্যমে সার্টিফিকেট গ্রহণ করবেন তাহলে আপনাকে সার্ভিস চার্জ পূর্বে প্রদান করতে হবে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে কোথায় যোগাযোগ করতে হয়?

অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করার পরে আপনি যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট না পেয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে নিকটস্থ থানাতে অথবা মেট্রোপলিটন জেলাতে যোগাযোগ করতে হবে। কারণ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর সকল দায়ভার পুলিশ এবং ডিএসবি নিয়ন্ত্রণ করে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অনলাইনে চেক  

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে আবেদন করার পরে আপনার আবেদনটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা অথবা আপনার সার্টিফিকেট এসেছে কিনা জানার জন্য আপনি চাইলেই ঘরে বসে অনলাইনে চেক করতে পারবেন। অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চেক করার জন্য আপনাকে প্রথমে এই লিংকে প্রবেশ করতে হবে।

তারপরে আপনি আপনার পাসপোর্ট এর নাম্বার যুক্ত করে আপনার অনলাইন কপি দেখতে পাবেন। অথবা আপনি যদি মনে করেন যে আপনি কিউ আর কোড স্ক্যান করে অনলাইন লিঙ্ক দেখবেন তাহলে আপনাকে একটি কিউ আর কোড প্রিন্ট করতে হবে। আপনি চাইলে ল্যাপটপ অথবা স্মার্টফোন ব্যবহার করেও কিউআর কোড স্ক্যান করে আপনার ইসুকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেখতে পারেন।

আপনি চাইলে এই সার্টিফিকেটের একটি কপি ডাউনলোড করে বের করতে পারেন। অনলাইন লিংক থেকে ডাউনলোড করে সার্টিফিকেট নিলে এই সার্টিফিকেট জাল হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না এবং পরবর্তীতে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে আপনি এই অনলাইন কপি দেখাতে পারবেন।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কত টাকা লাগে

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করতে সোনালী ব্যাংক অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে আপনাকে পাঁচশত টাকা প্রদান করতে হবে। এখন অনেকেই ভাবেন যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে অনেক টাকা পয়সা লাগে এটা মূলত ভুল ধারণা। কারণ সরকারিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে অনলাইন আবেদনে যে ৫০০ টাকা লাগে এটাই সঠিক টাকার পরিমাণ।

তাহলে আমার প্রিয় পাঠক বন্ধুরা নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে করব এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট অনলাইনে কিভাবে চেক করবেন পাশাপাশি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করতে কত টাকা লাগে ইত্যাদি বিষয়ে।

শেষ কথা 

আজকের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আমি আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করেছি যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কি এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাবেন পাশাপাশি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট অনলাইনে কিভাবে চেক করবেন। আপনি যদি আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সম্পর্কে একটু ধারণা লাভ করে ফেলেছেন।

আমার এই লেখাগুলো পড়ে যদি আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধবদের সাথে আর্টিকেলটি শেয়ার করে দিবেন। আজকে আর না এতোটুকুই শেষ। আলোচোনা হবে পরবর্তী কোনো টপিক নেই ততক্ষণে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্বাগতম বিডিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url