কিসমিস খাওয়ার ৩০ টি উপকারিতা -কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা

পেয়ারা খাওয়ার ২০টি উপকারিতাপ্রিয় বন্ধুরা আপনারা হয়তো কিসমিস এর উপকারিতা ও অপকারিতা কিসমিস ভিজিয়ে  খাওয়ার উপকারিতা এ সকল বিষয় নিয়ে জানার জন্য অনেক খোঁজাখুঁজি করছে কিন্তু সঠিক তথ্য পাচ্ছেন না তাহলে চিন্তার কোন কারন নেয়। কারণ আজকের এ আর্টিকেলটিতে আমি কিসমিস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

কিশমিশ খাওয়ার ৩০ টি উপকারিতা -কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা

আজকের আর্টিকেলটিতে আমি কিসমিস ভিজে খাওয়ার নিয়ম কিসমিস খালি পেটে খেলে কি কি উপকার হয় কিসমিস খেলে কি ফর্সা হওয়া যায় এরকম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করুন তাই পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার নিয়ম

কিসমিস হলো একটি পুষ্টি সম্পন্ন খাবার। কিসমিসে রয়েছে অধিক পরিমাণ ফাইবার, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামি সি,সিলেনিয়াম, বরণ,এবং অধিক পরিমাণ শর্করা। এ সকল উপাদান গুলো যদি কিসমিস খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের শরীরের প্রবেশ করে তবে আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকমের সমস্যা দূর হবে।
কিসমিস যে কোন ভাবে খাওয়া যেতে পারে কিন্তু কিসমিস যদি ভিজিয়ে খাওয়া যায় তবে অধিক পরিমাণ ফলাফল পাওয়া যায়। তাহলে চলুন জেনে নেই কিসমিস ভিজে খাওয়ার নিয়ম গুলো,
কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তত প্রায় ছয় ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। রাতে এক কাপ পানিতে কিসমিস গুলো ভালো করে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবং পরের দিন সকালবেলা কিসমিসগুলো খালি পেটে খেতে হবে তাহলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দ্রুত পাওয়া যায়। 

সকালে খালি পেটে কিসমিস খাওয়ার নিয়ম

কিসমিস হল অধিক পরিমাণ ফাইবার এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি যেমন খাবারের স্বাদ করে যেমন পায়েশ বিভিন্ন রকমের ক্ষীর সেমাই রান্না করতে ব্যবহৃত হয় ঠিক তেমনি এটি যদি প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়া যায় তবে অনেক উপকার পাওয়া যায়। কিসমিস খাওয়ার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে খালি পেটে কিসমিস খাওয়ায় অধিক উত্তম। 

সকালে খালি পেটে কিসমিস খেলে কিসমিসে উপস্থিত এন্টিঅক্সিডেন্ট হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়াও যাদের  কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তা যদি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কিসমিস খায় তবে তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে। সকালে খালি পেটে কিসমিস খাওয়ার জন্য আগের দিন রাতে ৪ থেকে ৬টি কিসমিস ভালো করে পরিষ্কার করে একটা বাটিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।


প্রায় ৬ ঘন্টা কিসমিস ভিজে রাখার কারণ কিসমিস গুলো পানি শোষণ করে ফুলে ওঠে যেগুলো আমাদের শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে এবং দুর্বলতা দূর করে। কিসমিস লিভার কেউ সুস্থ রাখে। এছাড়াও কিসমিস ভিজিয়ে রাখা পানি গুলো খেলে লিভারে যদি কোন রকমের সমস্যা বা দাগ হয়ে থাকে তাহলে দ্রুত উপশম পাওয়া যায়।

অবশেষে আমি একটা কথাই বলবো যে খালি পেটে যদি কেউ কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে চান তাহলে অবশ্যই কিসমিস টি আগের দিন রাতে ভিজিয়ে রাখবেন তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন। কিস নিচে অধিক পরিমাণ ফাইবার উপস্থিত থাকায় এটি হজম শক্তি

শুকনো কিসমিস খেলে কি হয়

শুকনো কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা গুলো নিচে বর্ণনা করা হলো,

  • কিসমিসে অধিক পরিমাণ ফাইবার উপস্থিত থাকা এটা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়া দ্রুত হতে ত্বরান্বিত করে।
  • শুকনো কিসমিসে অধিক পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। অধিক পরিমাণ ক্যালসিয়াম হাড়ের ভঙ্গুলো তা দূর করে এবং হারকে মজবুত করে।
  • এছাড়াও কিসমিসের অধিক পরিমাণ বোরন রয়েছে যেগুলো অস্টিওপরেসিস রোগকে প্রতিরোধ করে।
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পটাশিয়াম খুব উপকারী আর কিসমিসে অধিক পরিমাণ পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখে।
  • চোখের যত্নেও কিসমিসের ভূমিকা অপরিসীম কারণ কিসমিস অধিক পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপস্থিত যেটা চোখের ছানি পড়া এবং দৃষ্টিশক্তির হ্রাসজনিত সমস্যা দূর করে।
  • এছাড়াও কারো চোখের যদি কম দেখে এবং অন্ধত্ব জনিত সমস্যা থাকে তারাও কিসমিস খেলে দ্রুত উপকার পেতে পারবেন।
  • কোষের ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ এর হাত থেকে রক্ষা করতে কিসমিস খুব উপকারী কারণ কিসমিস অধিক পরিমাণ ফাইবার উপস্থিত যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
  • রক্তে যদি অধিক পরিমাণ টক্সিক পদার্থ উপস্থিত থাকে তাহলে শরীরে বিভিন্ন রকমের উপসর্গ দেখা দেয় কিন্তু কিসমিস রক্তের টক্সিক পদার্থ ধ্বংস করে।
  • কাটা ছেঁড়া বা ঘা সারাতে কিসমিস খুব উপকারী কারণ কিসমিসে উপস্থিত পলিফেনালস এন্টি ব্যাকটেরিয়াল দ্রুত ঘা সারাতে ভূমিকা রাখে।
  • কেউ যদি তার ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন যে শরীরের ওজন বৃদ্ধি করতে চান তাহলে অবশ্যই কিসমিস খেতে পারেন কারণ কিসমিসে উপস্থিত গ্লুকোজ এবং ফ্রূক্টজ শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে শরীরকে হেলদি করে তোলে।
  • কিসমিসে উপস্থিত ক্যালসিয়াম দাঁতকে মজবুত করে এবং তাদের এনামেলকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
  • যে সকল ব্যক্তি অনিদ্রা জনিত সমস্যার সাথে ভুগছেন তারা যদি প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর পূর্বে কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলেন তাহলে তাদের অনিদ্রার সমস্যা দূর হবে।
  •  কিসমিসে উপস্থিত এন্টি কোলেস্টেরল উপাদান রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কে কমায়।
  • কিসমিসে উপস্থিত আয়রন এবং লোহা উপাদান রক্তের অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করে এবং রক্তের লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
  • কিসমিসে উপস্থিত গ্লুকোজ এবং ফ্রূক্টজ শরীরকে দ্রুত শক্তি এবং এনার্জি সরবরাহ করে।

রাতে ঘুমানোর আগে কিসমিস খেলে কি হয়

রাতে ঘুমানোর আগে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে অনেক কেউ যদি প্রতিদিন তার খাদ্য তালিকায় 40 থেকে 50 গ্রাম কিসমিস খায় তবে তার শরীর থেকে বিভিন্ন রকমের বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যাবে। অনেকেই মনে করেন যে কিসমিস শুধু রান্নার উপকরণ কিন্তু কিসমিস যে রান্নার পাশাপাশি ভিজিয়ে খেলে বা ঘুমানোর পূর্বে খেলেও অনেক উপকার হয় তাহলে চলুন জেনে নিই সে উপকারগুলো,

রাতে ঘুমানোর আগে কিসমিস খেলে কি হয়

  •  অনিদ্রা দূর করতেঃ প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে পাঁচ থেকে ছয়টি কিসমিস যদি কেউ খায় তবে তার অনিদ্রা জনিত সমস্যা থেকে দ্রুত উপশম পাবে।
  • মানসিক সমস্যার সমাধানেঃ এছাড়াও কিশমিশে উপস্থিত বোরন মানসিক সমস্যা থেকেও পরিত্রাণ দেয়।।
  • হাড়কে সুস্থ রাখতেঃ কিসমিসে উপস্থিত ক্যালসিয়াম হাড়ের ভঙ্গতা দূর করে।
  • হজম শক্তি বৃদ্ধি করতেঃকিসমিস যেহেতু অধিক  ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার তাই প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর পূর্বে কিসমিস খেলে একে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
  • পাকস্থলের অম্লত্ব দূর করতেঃ পেটে এসিডিটির সমস্যা দূর করতে ভিজিয়ে রাখা কিসমিস যেমন খুব উপকারে ঠিক তেমনি ঘুমানোর পূর্বে কিসমিস খেলেও পাকস্থলের অম্লত্ব দূর হয়।
  • উচ্চ রক্তচাপ কমাতেঃ ঘুমানোর পূর্বে কিসমিস খেলে এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • দাঁতের যত্নেঃ দাঁতকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর পূর্বে কিসমিস খেলে দাঁতের গোড়া শক্ত থাকে এবং দাঁতের এনামেলের ক্ষতি থেকে বিরত থাকে।
  • ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেঃ ক্যান্সার আক্রমণ হওয়া থেকে বিরত রাখেই কিসমিস কিসমিস শরীরের ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ হওয়া থেকে রক্ষা করে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেঃ রাতে ঘুমানোর পূর্বে কিসমিস খেলে কিসমিসে উপস্থিত এন্টি অক্সিজেন চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে এবং চোখের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • ওজোন বৃদ্ধি করতেঃ ওজন কমাতে কিসমিস এর ব্যবহার সব থেকে বেশি প্রচলিত কারণ রাতে ঘুমানোর পূর্বে কিসমিস খেলে কিসমিসে উপস্থিত ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেটকে ভরা রাখে এবং ওজন কমায়।
  • অতিরিক্ত ওজন কমাতেঃ কিস প্রতিদিন রাতে কিসমিস খেলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ এবং চর্বি কমতে থাকে।
  • যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতেঃ এছাড়াও যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা প্রয়োজন এর তুলনায় সব থেকে বেশি।

প্রতিদিন কতটুকু কিসমিস খাওয়া উচিত

কিসমিস একটি উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার এটি খেলে যেমন শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্য পাকস্থলের দীর্ঘ স্থায়ী কোন সমস্যা দূর হয় ঠিক তেমনি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে তাই আমাদের শরীরে সুস্থ রাখতে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা অনেক। কিসমিস শুকনো যেমন খাওয়া হয় ঠিক তেমনি কিসমিস ভিজে খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে।

এখন সকলের মনে একটি প্রশ্ন যে আমাদের শরীরকে সম্পূর্ণ সুস্থ সুস্থ স্বাভাবিক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে প্রতিদিনে কতটুকু কিসমিস খাওয়া উচিত?
পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন যে কিসমিস যেহেতু  ক্যালোরি এবং পুষ্টির সম্পন্ন খাবার তাই প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম কিসমিস খাওয়ায় যথেষ্ট। যদি অধিক পরিমাণ দুর্বলতা এবং ক্লান্ত করে তবে তৎক্ষণাৎ শরীরে এনার্জি পাওয়ার জন্য সে এর প্রয়োজনে থেকে একটু বেশিও কিসমিস খেতে পারেন।

কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা-কিসমিস ভিজিয়ে খেলে কি হয়

আমরা সকলেই জানি যে কিসমিস আমাদের জন্য কতটা উপকারী। নিয়মিত কিসমিস খাওয়ার কারণে আমাদের শরীরের অনেক উপকার হয় তাহলে চলুন জেনে নেই যে কিসমিস ভিজে খেলে আমাদের শরীরের কি কি উপকার হয়,

  • রক্তশূন্যতা দূর করতেঃ রাতে ভিজিয়ে রাখা কিসমিস সকালে খাওয়ার কারণে কিসমিসে উপস্থিত আয়রন এবং অধিক পরিমাণ লৌহ শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করে।
  • রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করতেঃ রক্তে যখন হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় তখন শরীরে বিভিন্ন রকমের উপসর্গ দেখা দেয় কিন্তু যদি প্রতিদিন সকালে ভিজিয়ে রাখা কিসমিস খাওয়া হয় তবে কিসমিসে উপস্থিত  লৌহ রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
  • হজম শক্তি বৃদ্ধি করতেঃ অধিক পরিমাণ ফাইবার তো রয়েছে কিন্তু সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখার কারণে এটি প্রাকৃতিক রেচক হিসেবে কাজ করে যেতে পাকস্থলীতে গিয়ে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং পেট পরিষ্কার রাখে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেঃ কিসমিসে উপস্থিত এন্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন বি ভিটামিন সি রক্তের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন সংক্রমণের প্রকোপ থেকে রক্ষা করে।
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতেঃ কিসমিসে উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তের উচ্চ চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  •  হার্ট সুস্থ রাখতেঃ কিসমিসে উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তের প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখে যার কারণে হার্টের সঠিক মত রক্ত সরবরাহ হয় যার কারণে হার্ট সুস্থ্য এবং স্বাভাবিক থাকে।
  • স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতেঃ কিসমিস উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তের প্রবাহকের নিয়ন্ত্রণে রাখে যার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেন এবং রক্ত সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে যার কারণে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
  • শরীরে লবণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেঃ আমরা আমাদের প্রতিদিনের খাবারের সাথে যে ধরনের তরকারি রান্না করে খায় তার মাধ্যমে আমাদের শরীরে অধিক পরিমাণ সোডিয়াম জমা হয় কিন্তু কিসমিস আমাদের শরীরের সোডিয়ামকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • শরীরকে শক্তি যোগাতেঃ শরীরের শক্তি বা এনার্জি যোগাতে কিশমিশে উপস্থিত ক্যালসিয়াম শর্করা গ্লুকোজ এবং ফ্রূকটোজ খুব উপকারী।
  • মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেঃ মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে কিসমিস উপস্থিত এন্টি ব্যাকটেরিয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • কোলেস্টেরল কমাতেঃ কিসমিসের দ্রবণীয় ফাইবার লিভারের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমায়।
  • চোখের সমস্যা দূর করতেঃ কিসমিসে উপস্থিত এন্টি অক্সিডেন্ট চোখের সানি পড়া চোখে ঝাপসা দেখা জনিত সমস্যা থেকে দ্রুত উপশম ঘটায়।
  • অনিদ্রা দূর করতেঃ ভেজানো কিসমিসে উপস্থিত ব্রণ অনিদ্রা জনিত সমস্যা থেকে দ্রুত উপশম ঘটায়।
  • ত্বকের যত্নেঃ কিস মিসে উপস্থিত ভিটামিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জিংক ক্যারোটিয়ান ত্বককে পুষ্টি যোগায় যার কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় থাকে এবং রোদে পরা ভাব থেকে মুক্ত থাকে।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেঃ কিসমিস ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে ইনসুলিন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

উপরে বর্ণিত উপকার গুলো থেকে আপনার নিশ্চয় বুঝতে পারছেন যে আমাদের শরীরে কিসমিসের উপকারিতা কতটা বেশি এবং প্রয়োজন। তাই আমাদেরকে আমাদের খাদ্য তালিকায় দ্রুত কিসমিস যোগ করতে হবে।

কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা

কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা গুলো হল,
  • রক্তশূন্যতা দূর করতেঃ উপস্থিত আয়রন এবং অধিক পরিমাণ লৌহ শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করে।
  • রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করতেঃ রক্তে যখন হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় তখন শরীরে বিভিন্ন রকমের উপসর্গ দেখা দেয় কিন্তু যদি প্রতিদিন সকালে ভিজিয়ে রাখা কিসমিস খাওয়া হয় তবে কিসমিসে উপস্থিত  লৌহ রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
  • হজম শক্তি বৃদ্ধি করতেঃ অধিক পরিমাণ ফাইবার তো রয়েছে কিন্তু সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখার কারণে এটি প্রাকৃতিক রেচক হিসেবে কাজ করে যেতে পাকস্থলীতে গিয়ে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং পেট পরিষ্কার রাখে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেঃ কিসমিসে উপস্থিত এন্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন বি ভিটামিন সি রক্তের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন সংক্রমণের প্রকোপ থেকে রক্ষা করে।
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতেঃ কিসমিসে উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তের উচ্চ চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  •  হার্ট সুস্থ রাখতেঃ কিসমিসে উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তের প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখে যার কারণে হার্টের সঠিক মত রক্ত সরবরাহ হয় যার কারণে হার্ট সুস্থ্য এবং স্বাভাবিক থাকে।
  • স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতেঃ কিসমিস উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তের প্রবাহকের নিয়ন্ত্রণে রাখে যার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেন এবং রক্ত সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে যার কারণে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
  • শরীরে লবণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেঃ আমরা আমাদের প্রতিদিনের খাবারের সাথে যে ধরনের তরকারি রান্না করে খায় তার মাধ্যমে আমাদের শরীরে অধিক পরিমাণ সোডিয়াম জমা হয় কিন্তু কিসমিস আমাদের শরীরের সোডিয়ামকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • শরীরকে শক্তি যোগাতেঃ শরীরের শক্তি বা এনার্জি যোগাতে কিশমিশে উপস্থিত ক্যালসিয়াম শর্করা গ্লুকোজ এবং ফ্রূকটোজ খুব উপকারী।
  • মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেঃ মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে কিসমিস উপস্থিত এন্টি ব্যাকটেরিয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • কোলেস্টেরল কমাতেঃ কিসমিসের দ্রবণীয় ফাইবার লিভারের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমায়।
  • চোখের সমস্যা দূর করতেঃ কিসমিসে উপস্থিত এন্টি অক্সিডেন্ট চোখের সানি পড়া চোখে ঝাপসা দেখা জনিত সমস্যা থেকে দ্রুত উপশম ঘটায়।
  • অনিদ্রা দূর করতেঃ ভেজানো কিসমিসে উপস্থিত ব্রণ অনিদ্রা জনিত সমস্যা থেকে দ্রুত উপশম ঘটায়।
  • ত্বকের যত্নেঃ কিস মিসে উপস্থিত ভিটামিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জিংক ক্যারোটিয়ান ত্বককে পুষ্টি যোগায় যার কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় থাকে এবং রোদে পরা ভাব থেকে মুক্ত থাকে।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেঃ কিসমিস ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে ইনসুলিন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

কিসমিস খাওয়ার ৩০টি উপকারিতা-কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে লেখকের মন্তব্য

এ আর্টিকেলটি আমি  কিসমিসের বিভিন্ন রকমের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনাদেরকে জানানোর জন্য লিখেছি। তাই আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য হচ্ছে যে কিসমিস আমাদের শরীরের জন্য খুব খুব খুব উপকারী। আপনি যে বয়সের হোন না কেন ,হতে পারেন বাবা বা মা অথবা যুবক আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই কিসমিস যুক্ত করুন।

প্রতিদিন কিসমিস খাওয়ার কারণে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং  কিডনি লিভার এবং রক্ত পরিষ্কার থাকবে যার কারণে  ক্যান্সারজনিত সমস্যা থেকেও আপনি সুস্থ থাকবেন। আশা করছি আমার এই আর্টিকেলটি পড়েআপনি উপকৃত হবেন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধবদের সাথে শেয়ার করে দিবেন।

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে নিয়মিত স্বাগতম বিডি ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন এবং পরবর্তী আর্টিকেল পাবলিশ হওয়া পর্যন্ত আমার সাথেই থাকবেন ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্বাগতম বিডিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url